আজ ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আইডি কার্ড

আইডি কার্ড নিয়ে চলাচলের নির্দেশ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  লকডাউনে জরুরিসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতালে যাওয়া-আসার পথে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।গত বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালক (প্রশাসন) ডা. শেখ মোহাম্মদ হাসান ইমাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করার নিমিত্তে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্মারক -৪৫.০০.০০০০.১৪০.৯৯.০০৪.২০.৪৯৭ তারিখ-১৩.০৪.২০২১ খ্রি. মোতাবেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালসমূহ (সকল পর্যায়ে) জনসাধারণের মাঝে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে চিকিৎসক ও নার্সসহ অন্য সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের লকডাউনের পরিস্থিতিতে জরুরি স্বাস্থ্য সেবা/চিকিৎসা সেবাসহ অন্যান্য কার্যক্রমে জড়িত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাপ্তরিক পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) আবশ্যিকভাবে ব্যবহার করার জন্য বলা হলো।’

 

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে যাতায়াতের সময় প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রর্দশনের পরেও অনেকেই নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সেবা সুনিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কর্মস্থলে যাতায়াতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।’

 

গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউনে চলাচলে বিধি-নিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে রয়েছে সিভিল প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

এদিকে, করোনার বিস্তার রোধে চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ রোববার দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এক চিকিৎসক। সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই নারী নিজেকে শওকত আলী বীর বিক্রমের মেয়ে সাইদা শওকত বলে পরিচয় দেন। ‘ডাক্তার বড় না পুলিশ বড়’- সেই প্রশ্ন তুলে তা দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন ওই চিকিৎসক।

 

পুলিশ পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় উত্তেজিত হয়ে উঠেন তিনি। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক পরিচয় দেন ঠিকই। কিন্তু পুলিশ বারবার পরিচয়পত্র দেখতে চাইলেও তিনি তা দেখাননি।