আজ ৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

Prothombarta News 019524968

আবারও বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করোনা বাড়লে: প্রধানমন্ত্রী

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃ দেশে ক’রোনা’ভাইরাসের বিস্তার বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারও বন্ধ হবে বিষয়টি মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের সময়কে কাজে লাগাতে এবং ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্বোধন এবং ধানমন্ডিতে জয়িতা টাওয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

 

কো’ভি’ড-১৯ এর নতুন ভ্যারি’য়েন্ট ‘ও’মি’ক্র’ন’ সারা বিশ্বে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফ্রিকায় শুরু হওয়া কো’ভিড-১৯ এর সর্বশেষ এই ভ্যা’রিয়ে’ন্টকে সবচেয়ে মারাত্মক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

 

বাংলাদেশে ‘ও’মি’ক্রন’ ঠেকাতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মনে রাখতে হবে যে এই ক’রোনাভা’ইরাস কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

 

আমরা ভ্যা’কসিন দেওয়া শুরু করেছি, এখন শিক্ষার্থীদেরও দিচ্ছি। বর্তমানে আবার নতুন আরেকটা ওয়েব আসছে। কাজেই এটা মাথায় রাখতে হবে যদি এটা বিস্তার লাভ করে তাহলে যেকোনো সময় আবার কিন্তু সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। ’

 

‘যেটুকু সময় পাওয়া যাচ্ছে সবাইকে অন্তত যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ’শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীদের জন্য আমি আরেকটা কথা বলবো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন করো’নার জন্য বন্ধ ছিল।

 

এখন সমস্ত স্কুল-কলেজগুলো খুলে গেছে। সবাইকে এখন পড়াশোনা করতে হবে। যার যার স্কুলে ফিরে যেতে হবে। ’জাতির পিতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে জাতির পিতার অবদান তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের টাইলস ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে।

 

ম্যুরালটির উচ্চতা ১৪ ফুট ৬ ইঞ্চি ও প্রস্থ ১০ ফুট ৬ ইঞ্চি। জাতির পিতার নবনির্মিত ম্যুরালটির মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস বিষয়ে আরও বেশি জানতে উৎসাহী ও অনুপ্রাণিত হবে।

 

এদিকে রাজধানীর ধানমণ্ডির ২৭ নম্বর (পুরাতন) রোডে এক বিঘা জমির ওপর ১৬৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ১২ তলা বিশিষ্ট জয়িতা টাওয়ার। দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতা ব্র্যান্ডের আওতায় নানামুখী ব্যবসা-উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধাযুক্ত জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

জয়িতা টাওয়ারে রয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়, প্রদর্শনী স্থান, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার কক্ষ। এ ভবনে আরও থাকছে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, নারীদের জন্য জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল ও মাল্টিপারপাস হল।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর জয়িতা ফাউন্ডেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জয়িতার কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, পর্যায়ক্রমে বিভাগ, জেলা ও উপজেলায়ও জয়িতার কার্যক্রম চালু করা হবে। জয়িতা ফাউন্ডেশন নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় ও ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য একটি নিবেদিত প্ল্যাটফর্ম।