আজ ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

124030food minister kk 1

এক সপ্তাহের মধ্যে টিকা পাবেন প্রাথমিকের সব শিক্ষক

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষক-কর্মকর্তাদের করোনার টিকা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হবে। আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেব।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিকে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সচিবালয় ক্লিনিকের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিকা নেওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হলো, আমরা অন্যান্য যে ইনজেকশন নেই, তার চেয়ে আমার কাছে অনেক আরামদায়ক মনে হলো।’

প্রাথমিকের প্রায় চার লাখ শিক্ষক-কর্মকর্তার উদ্দেশে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এতটাই আন্তরিক শিক্ষার প্রতি, উনি সোমবার এবং এর আগেও আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে যে তোমার সব শিক্ষককে টিকা দিয়ে নাও, আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেব। যাতে আমার কোনো শিক্ষক আওতার বাইরে না থাকে।’

শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য কবে থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে- এমন প্রশ্নে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের জন্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, আমরা যেকোনো সময় মঙ্গলবার থেকে সাত দিনের মধ্যে টিকা নেওয়া শেষ করব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও নিয়েছি, আমাদের সচিবসহ সবাই নিয়েছেন। তাদের কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমার এলাকায়ও নিয়েছেন, তাদেরও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমি অনুরোধ করব, আমার শিক্ষকদের, যারা টিকার আওতায় পড়বেন, চল্লিশোর্ধ বয়সের সবাইকে টিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করব।

‘আমার শিক্ষক-শিক্ষিকা সবাই যেন যথাসময়ে টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এগিয়ে আসে। আর মাস্ক ব্যবহার করতে হবে সবাইকে।’

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ছুটি বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়া এবং টিকা নেওয়া শুরু হওয়ায় ফেব্রুয়ারি বা মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার গুঞ্জন চলছে। কিন্তু বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।