আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

083231shoaib akhtar kk

ক্ষেপেছেন শোয়েব! ভদ্র আচরণ করতে বললেন নিউ জিল্যান্ডকে

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:আর একবারের জন্যও যদি করোনা স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করেন পাকিস্তান দলের কোনো খেলোয়াড় কিংবা সদস্য, তাহলে আর নিউজিল্যান্ডে থাকা হবে তাদের, পাঠিয়ে দেয়া হবে বাড়িতে। নিউ জিল্যান্ড সরকারের এমন হুঁশিয়ারিতে বেজায় চটেছেন শোয়েব আখতার। যেন মানতেই পারছেন না তিনি। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের সাবেক এই পেসার নিউ জিল্যান্ডকে ‘ভদ্র আচরণ’ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলতে বর্তমানে নিউ জিল্যান্ডে আছে পাকিস্তান দল। সেখানে গিয়েই বিপাকে পড়েছে তারা।  কোভিড-১৯ পরীক্ষায় তাদের ৬ জন ক্রিকেটার পজিটিভ হয়েছেন। এরপর কয়েকজন কোয়ারেন্টিনের শর্ত ভাঙায় দলটিকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করেছে নিউ জিল্যান্ড সরকার। বিব্রতকর এই ঘটনার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান হোয়াটসঅ্যাপে কড়া অডিও বার্তা পাঠান ক্রিকেটারদের জন্য।

শোয়েব চটেছেন নিউ জিল্যান্ড সরকারের আচরণে। তার মতে, একটি দেশের জাতীয় দলকে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে পারে না কেউ। ইউটিউব চ্যানেলে সাবেক এই তারকা পেসার নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি নিউ জিল্যান্ড বোর্ডকে বলতে চাই, এটা কোনো ক্লাব দল নয়, এটা পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। আমাদের আপনাদের দরকার নেই। আমাদের ক্রিকেট শেষ হয়ে যায়নি। সম্প্রচার স্বত্বের অর্থ আপনারা পাবেন। কঠিন এই সময়ে আপনাদের দেশে সফরে যাওয়ার জন্য আমাদের কাছে আপনাদের ঋণী হয়ে থাকা উচিত।’

শোয়েব আরো বলেন, ‘পাকিস্তান সম্পর্কে কথা বলছেন আপনারা, পৃথিবীর সেরা দেশ। তাই ভদ্র আচরণ করুন এবং এই ধরনের মন্তব্য করা বন্ধ করুন। সাবধান। পাকিস্তান দলের এখন তাদেরকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে উড়িয়ে দেওয়া উচিত।’

পিসিবির সমালোচনা করতেও পিছপা হননি শোয়েব। নিউ জিল্যান্ডকে পিসিবির কড়া জবাব দেওয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পিসিবির আরো কঠিন হওয়া উচিত। আমি যদি তাদের জায়গায় থাকতাম, জানিয়ে দিতাম, নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট খুশি না হলে আমরা তাদের সঙ্গে খেলব না। আমাদের দলকে ফিরিয়ে আনতাম এবং পাঁচ বছরের জন্য তাদের সঙ্গে খেলতাম না।’

তিন টি-টোয়েন্টি ও দুই টেস্ট খেলতে নিউ জিল্যান্ড সরকারের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে চাটার্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে অকল্যান্ড গিয়েছে পাকিস্তান দল। সেখান থেকে ক্রাইস্টচার্চ গিয়ে ১৪ দিনের কড়া আইসোলেশনে থাকতে হবে তাদের। কিন্তু এর আগেই ৬ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ায় পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে গেছে পাকিস্তানের জন্য।

আগামী ১৮ ডিসেম্বর টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে দুই দলের লড়াই। টেস্ট সিরিজটি শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর।