আজ ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

171508kalerkantho 1

খুব দ্রুতই সরকারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে : রিজভী

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর-উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত দ্বারা সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। খুব দ্রুতই এই সরকারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীর-উত্তম খেতাব দেওয়া হয়। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর তার রাষ্ট্রীয় খেতাব কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের কূটিল প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্রযন্ত্রের নিষ্ঠুর থাবায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করতে না পেরে দেশমাতৃকার এই মহান বীরের অবদানকে মুছে ফেলার জন্য ব্যর্থ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের এমনিতেই তালিকা থেকে বাদ দিয়ে এবং নানা ধরনের অপকর্মের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বিতর্কিত হয়েছেন, এ জন্যই জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে বিষোদগার করলেই প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী নেতাদের কবিরা গুনাহ মাফ করে দেন। তারা সহজাত বিচার-বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন। তাদের মনে-মস্তিষ্কে অন্ধকার নেমেছে। তারা এক ধরনের প্রতিবন্ধী। তারা কুৎসা সঞ্চারিত মনের বিকারগ্রস্ত ব্যক্তি।

রিজভী বলেন, যে মহান ব্যক্তি দেশের জন্য অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, সেই জিয়াউর রহমানের মতো বীরের খেতাব মাফিয়া রাষ্ট্রশক্তির জোরে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও জনমনে যে ইতিহাস রচিত হয়ে আছে, সেই ইতিহাস অমর, অব্যয়, অক্ষয়, তা রাষ্ট্রযন্ত্রের হুমকিতে কখনো মুছে ফেলা যাবে না। জিয়াউর রহমানের কীর্তি দেশবাসীর অন্তরে আজও অম্লান। জিয়াকে নিয়ে মানুষের মধ্যে যে আবেগ তা যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে বহমান থাকবে।

তিনি বলেন, আমি শহীদ জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র ঘৃণা, নিন্দা, ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এ ধরনের কূটিল সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।