আজ ৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

গ্রীষ্মকালের

গ্রীষ্মকালের বউ…

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃ মুসলিম পুরুষদের শর্ত সাপেক্ষে চার স্ত্রী গ্রহণের বিধান রয়েছে ইসলাম ধর্মে। তাই বলে কেবল গ্রীষ্মকালের জন্য বিয়ে করার কথা কখনো শুনেছেন।

 

শুনুন আর নাই শুনুন, এই অদ্ভুদ বিয়ের চল রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ মিশরে। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন।তেমনটাই হয়েছে কায়রোয়েতে।

 

কায়রোর আশপাশের এলাকায় মূলত দরিদ্র লোকেদের বাস। যাদের চার ভাগের এক ভাগ মানুষকে দিনে দুই ডলারেরও (প্রায় ১৫০ টাকা) কম খরচে চলতে হয়।

 

সেক্স ট্যুরিজম এই চরম দরিদ্রদের জীবনে নতুন আশা সৃষ্টি করছে। পর্যটকদের কেউ কেউ তো মেয়ের কুমারীত্ব, বয়স, চেহারা এবং বিয়ের স্থায়িত্ব বিবেচনা করে এক লাখ ইউরো (প্রায় ৯৫ লাখ টাকা) পর্যন্ত খরচ করতে রাজী হয়।

 

অর্থের লোভ দেখিয়ে মিশরের শত শত কিশোরীকে সাময়িক বিয়ে করে থাকেন ধনী দেশগুলো থেকে আগত পর্যটকরা। দেশটিতে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিষিদ্ধ হওয়ায় নিজেদের যৌন চাহিদা মেটাতে এমন সাময়িক বিয়ে করছেন দেশটিতে বেড়াতে আসা বিদেশি পর্যটকরা।

 

এসব মেয়েরা দেশটিতে ‘গ্রীষ্মকালীন বউ’ হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে।এমনই বেশ কয়েকটি ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ পায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

 

তারমধ্যে একটি হলো ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালের একদিন। মিশরীয় কন্যা হুরাইরার বয়স তখন কেবল ১৫ বছর। দরজা খুলেই বাইরে এক পুরুষকে তার বাবা ও সৎ মায়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখল সে।

 

তার সামনেই হলো সব কথাবার্ত। মাত্র ১,৭৫০ ইউরো (প্রায় ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা) ‘মোহরানা’র বিনিময়ে সৌদি আরব থেকে আসা সেই ব্যক্তিকে তার বিয়ে করতে হবে।

 

ওই বিয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ দিন।এই বিয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত ধর্ষণের শিকার হতে হয়ে হুরাইরাকে। এরপর গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ।

 

হুরাইরাকে আবার বাবা-মায়ের কাছে ফেরত দিয়ে নিজ দেশে ফেরত চলে যান ওই সৌদি নাগরিক। আর কখনও সে ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়নি হুরাইরার।