আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

212258 bangladesh pratidin dudak

পিকে হালদারসহ ৬২ জনের ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা ফ্রিজ

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃপিকে হালদারসহ ৬২ জনের প্রায় ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে গত তিনদিনে পিকে’র ৭ সহযোগী জিজ্ঞাসাবাদে হাজির না হলেও দায়িত্বকালে কোনো দুর্নীতি হয়নি বলে জানান পিপল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের সিইও ও এমডি সামী হুদা।

১০ হাজার ২০০ কোটি টাকা লোপাটে পিকে হালদারের সহযোগী ছিলেন ৬২ জন ব্যাক্তি। চিহ্নিত ব্যক্তিরা নিজেদের ভুয়া কোম্পানির নামে বিভিন্ন লিজিং কোম্পানি ও ব্যাংকের ৩৩টি শাখা থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নেয়। এসব ঋনের বেশিরভাগ টাকাই তুলে নিলেও হিসাবগুলোতে থাকা ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে দুদক।

অভিযুক্তদের মধ্যে গত চারদিনে ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও কেউই হাজির হননি। জিজ্ঞাসাবাদের চতুর্থ দিনে বৃহস্পতিবার সকালে পিপলস লিজিং-এর সিইও ও এমডি সামী হুদাসহ তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
বাকিরা হলেন, একই কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আহমেদ জামাল এবং পিপল লিজিং-এর হেড অব ক্রেডিট মাহামুদা কায়সার। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পিকে হালদারের কর্মকাণ্ডে কেউই জড়িন নন বলে দাবি করেন।

পিপলস লিজিং-এর এমডি সামী হুদা বলেন, ‘আপনারা এটা প্রমাণ করেন যে আমাদের সাথে তার কথা হয়। আমাদের সাথে তো তার যোগাযোগ করার কোন কারণ নেই। পিকে হালদার বলে তো এখানে কেউ ছিল না।’

এদিকে পিকে হালদারের সহযোগীদের অর্থ জব্দ করা ছাড়াও কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেসব বাংলাদেশিদের বাড়ি ও ফ্ল্যাট আছে তাদের তথ্য চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়ার কথা জানান দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি বলেন, বিভিন্নজনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে তার সূত্র বিভিন্ন দিকে আছে। তো আমরা ইতোমধ্যে অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। আমরা জেনেছি যে ৬২ জন ব্যক্তির সাথে তার যোগাযোগ ছিল। এখন পর্যন্ত আমরা ৫১ কোটি ৭ হাজার ৮০ লাখ টাকা জব্দ করেছি বিভিন্ন জায়গা থেকে।’

এছাড়া ক্যাসিনোকাণ্ড ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণের প্রেক্ষিতে কাজী আনিসের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।