আজ ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

0 2011110726

‘ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে সেরা দল মুম্বাইয়ের’

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:‌চলতি আসরে পঞ্চমবারের মতো মুম্বাইয়ের হয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা জিতলেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার কিয়েরন পোলার্ড। সবমিলিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে সাতবার শিরোপা জিতেছেন এই ক্যারিবিয়ান। যার দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টিতে। মুম্বাইয়ের হয়ে লাকি সেভেন শিরোপা জিতে পোলার্ড জানালেন, বিশ্বের সব ফ্র্যাঞ্জাইজি লিগের মধ্যে সেরা দল মুম্বাইয়ের।

চলতি মৌসুমের আগেই আইপিএলে সবচেয়ে সফল দলের তকমা ছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। এবারের আসরে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জিতে নিজেদের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে গেলো অন্য উচ্চতায়। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিরোপা জেতা দল চেন্নাইয়ের কেবিনেটে আছে তিনটি শিরোপা। এদিকে ২০১১ ও ২০১৩ সালের আসরে চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টির চ্যাম্পিয়নও হয়েছে মুম্বাই।

দিল্লিকে হারিয়ে আবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে অফিশিয়াল ব্রডকাস্টারদের কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে পোলার্ড বলেন, ‘এটা দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা। এই শিরোপা অনেক বড় আমার কাছে। গত ১১ বছর ধরে এই দলে আমি। এরই মধ্যে পেলাম পঞ্চম আইপিএল শিরোপা।’

তবে কেবল মুম্বাই নয়, আরও অন্তত ৮টি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন পোলার্ড। যেখানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ লিগ, সিপিএলও রয়েছে। আর সব ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের মধ্যে এই ক্যারিবিয়ানের কাছে সেরা মনে হয়েছে মুম্বাইকে।

পোলার্ড বলেন, ‘এত এত শিরোপা, সবমিলিয়ে দলের কার্যব্যবস্থা এবং এই দল থেকে যত বেশি খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে, ভারতের জার্সিতে কিংবা নিজ নিজ দেশের হয়ে; আমার তো মনে হয় আপনারও এটা বলতেই হবে যে মুম্বাই বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি দল।’

মুম্বাইয়ের অন্যতম সেরা আইকনিক ক্রিকেটার পোলার্ড। রোহিত শর্মা, জাসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়াদের সঙ্গে লড়াইয়ে নিজেকে প্রমাণ করা পোলার্ড জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের হয়ে খেলায় উন্নতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পোলার্ডের ভাষ্য, ‘পর্দার আড়ালে অনেক কাজ করতে হয়। সেসব প্রস্তুতি, পরিকল্পনা কেউই দেখতে পায় না। এরপর আবার সেগুলো যথাযথভাবে মাঠে বাস্তবায়নও করতে হয়। এটা অবশ্যই চাপ। তবে মুম্বাইয়ের বড় ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেললে আপনার শুধু উন্নতিই হবে, ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকেও। সবকিছু ইতিবাচকভাবে নেয়াও একটা বড় বিষয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করি, প্রতিটা চাহিদা পূরণের চেষ্টা থাকে, যেন দল হিসেবে সবকিছু অর্জন করা যায়। ওপেনার, মিডলঅর্ডার, ফিনিশার, ডেথ বোলার- সবকিছুর জন্য আলাদা আলাদা করে ভাবা হয়। এক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করলেই নয়। তারাও পর্দার আড়ালে অনেক কাজ করে থাকেন।’