আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভারত

ভারতের মাটিতেই লুকিয়ে রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার গুপ্তধন

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: স্বাধীনতার পর কেটে গিয়েছে ৭০বছর৷ প্রায় ২০০ বছর ধরে ভারতে শাসন চালিয়েছে ইংরেজরা৷ চলেছে তীব্র শাসন শোষণ৷ গ্রামের চাষীদের উপর নির্দ্বিধায় চলেছে অত্যাচার৷ বিভিন্ন মহাকাব্যের পাতায় আমরা পড়েছি এই সমস্ত লুক্কায়িত সম্পত্তির কথা৷ কিন্তু সেই সমস্ত গুপ্তধনের নাগাল পায়নি ইংরেজরা ২০০বছরের শাসন করার সময়েও৷ কথিত আছে, যে পরিমাণে সম্পদ লুক্কায়িত রয়েছে ভারতের মাটিতে৷ তার মূল্য আজ প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকা৷

 

১) মুঘল সাম্রাজ্য: দিল্লি থেকে মাত্র ১৫০কিমি দূরে অবস্থিত মুঘল সাম্রাজ্য৷ সেখানেই আলোওয়ার ফোর্টের নীচে সুরক্ষিত রয়েছে বেশ কিছু সম্পত্তি৷ যার বেশ কিছু সম্পত্তি আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি৷

 

২) সোনভান্ডার কেভ: বিহারে অবস্থিত এই গুহাটি৷ তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শতাব্দীতে এই গুহাটি আবিষ্কার হয়৷ কথিত আছে, এই গুহার পশ্চিম দিকে একটি চেম্বার রয়েছে৷ যেটি গার্ড রুম হিসেবে ব্যবহৃত হয়৷ এর সোজাসুজিই রয়েঠে বিমবিসরসার সম্পত্তির গুপ্ত দরজা৷ যার নকশা রয়েছে ওই গুহারই একটি দেওয়ালে৷

 

৩) চারমিনার টানেল: হায়দরাবাদে অবস্থিত এই টানেলটি৷ চারমিনারের সঙ্গে গোলঞ্চা যুক্ত করেছে এই রাস্তাটি৷ সুলতান মহম্মদ কুলি কুতুব শাহ এই টানেলটি তৈরি করে৷ টানেলের চেম্বারের কোনও একটি গুপ্ত স্থানে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি৷

 

৪) শ্রী মুকাম্বিকা মন্দির: কর্ণাটকে অবস্থিত এটি৷ কথিত আছে, এই মন্দিরের মধ্যেই রয়েছে একটি গুপ্তঘর৷ যেটি সর্বক্ষণ পাহাড়া দেয় এক সাপ৷

 

৫) শ্রী পদস্বামী মন্দির: কেরালাতে অবস্থিত৷ ২০০১সালে এই মন্দিরের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ভল্ট৷ এই ভল্টটির ভিতরে একাধিক সোনার সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে৷ যার বাজার দর আনুমানিক কয়েক কোটি৷ অপরদিকে, আরও একটি ভল্ট রয়েছে ওই মন্দিরের ভিতরেই যার মূল্য ২২বিলিয়ন ডলার৷ এমনটাই মত ঐতিহাসিকদের৷ যদিও সেই গুপ্ত লকার এখনও উদ্ধার হয়নি৷