আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রঙ করলে রুক্ষ হয়ে যেতে পারে চুল
রঙ করলে রুক্ষ হয়ে যেতে পারে চুল

রঙ করলে রুক্ষ হয়ে যেতে পারে চুল

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃ মানুষ প্রায় সময় নিজের লুকে পরিবর্তন আনতে চায়। আর চেহারায় পরিবর্তন আনতে চাইলে হেয়ার কালার সবচেয়ে ভালো একটি উপায়। চেহরায় নতুনত্ব নিয়ে আসে হেয়ার কালার। কিন্তু এই হেয়ার কালারের জন্য চুল তার প্রাণ হারিয়ে বসে। হেয়ার কালারে যেসব রাসায়নিক পদার্থ থাকে তা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

 

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ট্রিকোলজিতে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে,চুলের রঙ বিষাক্ত রাসায়নিক, ক্ষারীয় পিএইচ স্তর,সালফেট দ্বারা পূর্ণ। এসব উপাদানের কারণে চুল নিস্তেজ হয়ে যায়, উজ্জ্বলতা হারায় এবং চুল ভেঙ্গে যায়।

 

চুলের পুষ্টির জন্য:

চুলের পুষ্টির জন্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে আপনি হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে পারেন। কারণ প্রাকৃতিক উপাদানের রাসায়নিক উপাদানের মত কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সেক্ষেত্রে কালার করা চুলের জন্য অ্যাভোকাডো আর ডিম হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান। এতে করে চুল ঝলমলে হয় উঠবে অর্থাৎ প্রাণ ফিরে পাবে।

 

ডিম ও অ্যাভোকাডো চুলের জন্য যেভাবে পুষ্টিকর:

ডিমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলেরপাশাপাশি সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, লেসিথিন এবং ফসফরাস রয়েছে। এই উপাদানগুলো চুলের বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে এবং চুলকে মসৃণ করে। ডিম চুলের ফলিকল এবং চুলের গোড়া শক্ত হতে সাহায্য করে।

 

অ্যাভোকাডোতে ভিটামিন ই, কে এবং সি, পটাশিয়াম, প্রোটিন, ওলিক অ্যাসিড এবং ফোলেট রয়েছে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। এই ফল ব্যবহার আপনার চুল মসৃণ, চকচকে, শক্তিশালী করে তুলবে। চুলের গোড়াকে শক্তিশালী করে অ্যাভোকাডো। ক্ষতিগ্রস্ত চুলে প্রাণ ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো।

 

ডিম ও অ্যাভোকাডো হেয়ার মাস্কের জন্য প্রয়োজনীয়:

অর্ধেক অ্যাভোকাডো

১ টি ডিম

১ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল

প্রক্রিয়া:

১. একটি ডিম ভেঙে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর অ্যাভোকাডো সাথে দিয়ে আরো ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।

২. লাম্প যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ ভালোভাবে পেস্ট করে নিন।

৩. ভালোভাবে মেশানো হলে এরমধ্যে অলিভ ওয়েল যোগ করুন।

৪. সব উপাদান মেশানো হয়ে গেলে চুলে ম্যাসেজ করে এই পেস্ট লাগান।

৫. চুলের গোড়ায় যেনো পেস্টটি পৌঁছায় সে বিষয়টি খেয়াল রাখুন। এজন্য ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন।

৬. হেয়ার প্যাকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা রাখার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন্। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।

সপ্তাহে এক বা দুদিন এই হেয়ার প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনার চুল হয়ে উঠবে সুস্থ ও ঝলমলে।

 

সূত্র: হেলথ শটস