আজ ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

hindu om

শুধু স্বস্তিকা নয়! হিন্দুধর্মে যেসব চিহ্ন আপনার জীবন বদলে দেবে

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক,হিন্দু ধর্মে চিহ্ন বা প্রতীকের আলাদা মর্যাদা রয়েছে। আর এই সব চিহ্নের অনেক বিশেষত্বও রয়েছে। প্রত্যেক চিহ্নের আলাদা আলাদা মানে।

 

সেগুলির প্রভাবও আলাদা। প্রত্যেকের জীবনেই এগুলির প্রভাব রয়েছে। তাই এগুলি জেনে নেওয়া প্রয়োজন।প্রাথমিকভাবে এই চিহ্নগুলি দেখলে মনে হয় এর কোনও গভীরতা নেই। তবে আসল তত্ত্ব জানলে বোঝা যাবে যে এগুলি মোটেই সাধারণ নয়, আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাধারণ চিহ্ন ভেবে কখনই এড়িয়ে যাবেন না।

 

১. ওম

আসলে একটি শব্দ হল ‘ওম’। আর এর সংস্কৃত প্রতিকৃতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। নিচের দুটি গোলাকৃতি হল পার্থিব জগৎ। আর উপরের চিহ্নটি ঘুমন্ত জগতের প্রতীক। চিহ্নের নিচের দিকের খোলা অংশটি বোঝায় যে চিন্তার কোনও অন্ত নেই।

 

২. স্বস্তিকা

সৌভাগ্য আর ভাল থাকার চিহ্ন হল স্বস্তিকা। একসময় আমেরিকানরা এই চিহ্নকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতেন। পরম ঈশ্বরকে বোঝায় এই চিহ্ন দিয়ে। বলা হয়, বুদ্ধদেবের পায়ের ছাপ নাকি স্বস্তিকা চিহ্ন তৈরি করত।

 

৩. শ্রী যন্ত্র

পজেটিভ এনার্জির প্রতীক হল এই শ্রী যন্ত্র। শান্তি, সমৃদ্ধি, সম্প্রীতি ও সৌভাগ্যের প্রতীক এটি। প্রত্যেকের জীবনেই ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এই চিহ্নের মধ্যে রয়েছে অসম্ভব রকমের পজেটিচ এনার্জি। এর তিন কোনেই রয়েছে অনেক শক্তি।

 

৪. তিলক

সাধারণত কপালে পরা হয় এই তিলক। সাধারণত চন্দন দিয়ে এই তিলক পরা হয়। এই তিলক আসলে জ্ঞানের চোখ খুলে দেয়। শিবের তৃতীয় নেত্র যেখানে থাকে, সেখানেই তাই আঁকা হয় তিলক। ভ্রূমধ্যে রাখতে হয় এই তিলক। তবে খুলে যায় জ্ঞানের চক্ষু।

 

৫. গেরুয়া

হিন্দুত্বের রঙ হিসেবে ধরা হয় গেরুয়াকে। এটি আসলে আগুনের রঙ। সর্বশক্তির পরিচয় দেয় এই চিহ্ন। শুধুমাত্র হিন্দু নয়। শিখ, বৌদ্ধ ও জৈনধর্মেও এই রঙকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয় বেদের রঙ হল এই গেরুয়া।