আজ ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শেরপুরে আওয়ামীলীগের চার জয়, পাঁচ আসনে ভরাডুবি
শেরপুরে আওয়ামীলীগের চার জয়, পাঁচ আসনে ভরাডুবি

শেরপুরে আওয়ামীলীগের চার জয়, পাঁচ আসনে ভরাডুবি

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃদ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ের পথে রয়েছেন আওয়ামীলীগের দলীয় সমর্থিত চারজন ও স্বতন্ত্র পাঁচজন প্রার্থী। বেসরকারি প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এগিয়ে রয়েছেন উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ আলম পান্না (স্বতন্ত্র), খামারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আব্দুল মোমিন মহসিন, সুঘাট ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান জিন্নাহ, সীমাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় সমর্থিত প্রার্থী গৌরদাস রায় চৌধুরী, ভবানীপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় সমর্থিত প্রার্থী এসএম আবুল কালাম আজাদ, বিশালপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন, মির্জাপুর ইউনিয়নে আলহাজ¦ জাহিদুল ইসলাম (স্বতন্ত্র প্রার্থী), খানপুর ইউনিয়নে পিয়ার হোসেন পিয়ার (স্বতন্ত্র প্রার্থী) ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে কাজী আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র প্রার্থী)।

 

এর আগে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তি পূর্ণভাবে উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১নভেম্বর) সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খাগা দোলন ভিসি দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী পরিমল দত্ত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পিয়ার হোসেন পিয়ারের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় ছুরিকাঘাতে এক আওয়ামীলীগ কর্মী আহত হন।

 

এদিকে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ধড়মোকাম উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টের বের করে দিয়ে ভোটারদের সঙ্গে বুথে প্রবেশ করে নৌকা প্রতীকে সীল দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই কেন্দ্রে গেলে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সিদ্দিক ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, এই কেন্দ্রে নৌকা মার্কার পক্ষের লোকজন বুথে প্রবেশ করে প্রকাশ্যে সীল মারছে। প্রতিবাদ করলে তাকে ধাক্কা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া তেমন কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

 

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন জানান, উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৯জন, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ১০৬জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ১০৯টি কেন্দ্রে নির্বাচনের ভোটগ্রহন করা হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৫৬৬জন।