আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

1

সকালে মামলা, বিকেলে খারিজ

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক,নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে একই এলাকার আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সারের (কায়সার হাসনাত) করা ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতে অভিযোগটি দায়ের করা হলে বিকেলেই আবেদনটি খারিজ করে দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবীর।

মামলার আবেদন খারিজ করার সত্যতা নিশ্চিত করে আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ২০৩ ধারা অভিযোগটি খারিজ করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিনও আবেদন খারিজ করার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগে কায়সার হাসনাত উল্লেখ করেন, ১৯৭০ সালে দাদা মরহুম সাজেদ আলী মোক্তার সাধারণ নির্বাচনে গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। চাচা মরহুম মোবারক হোসেন দুবার সংসদ সদস্য ছিলেন। আর মা মৃত মমতাজ বেগম জীবদ্দশায় ছিলেন সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সোনারগাঁও ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি। তিনি নিজেও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। এ অবস্থায় লিয়াকত হোসেন খোকার ‘মিথ্যা ও কুৎসামূলক বক্তব্যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সুনামসহ প্রায় ৫০ কোটি টাকার সমমূল্যের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।’ যা দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় দন্ডনীয় অপরাধ।

মামলা খারজি হওয়ার আগে বাদির আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিমউদ্দিন বলেছিলেন, কায়সার সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি ছাড়াও তার দাদা এবং চাচা সংসদ সদস্য ছিলেন। তার বাবা ৪০ বছর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ছিলেন এবং মা ছিলেন সমাজসেবিকা। সংসদ সদস্যের এমন মিথ্যা বক্তব্যে পরিবারটির সুনাম নষ্ট হয়েছে। আদালত মামলাটির শুনানি গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তী আদেশ দিবেন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা জানায়, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি শুনেছি আমার নামে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে সেটা খারিজ করে দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এতে প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশের আইন নিরপেক্ষ।