আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

183403Untitled 1 copy

সম্মাননা পেলেন খুলনা বিভাগের ৫ শ্রেষ্ঠ জয়িতা

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃ খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত পাঁচ শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে ঝিনাইদহের সদরের লাভলী ইয়াসমিন, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নড়াইলের ড. শেখ মুসলিমা মুন, সফল জননী ক্যাটাগরিতে খুলনার রাবেয়া বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নড়াইলের সানজিদা রহমান আদরী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় খুলনার অঞ্জনা বালা বিশ্বাস।

 

অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও পুরস্কারের নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) খুলনায় পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে খুলনা বিভাগের সফল ও আত্মপ্রত্যয়ী ৫ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রতি মন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

 

মহিলা শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, জয়িতা মানে জয়ী নারী। জীবন সংগ্রামে অপ্রতিরোধ্য ও আত্বপ্রত্যয়ী নারীর নাম জয়িতা। তারা দেশের নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের অনন্য উদাহরণ।

 

কেবল নিজের অদম্য ইচ্ছাকে সম্বল করে চরম প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে যাচ্ছে এই নারীরা। তারা পরিবার, সমাজ ও দেশের গর্ব। সরকার তাদের অসামান্য অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান করছে। যার মাধ্যমে অন্যান্য নারীরাও অনুপ্রাণীত হচ্ছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যেই নারীদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বিষয়ে প্রচার এবং নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা।

 

তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক মহামারিত করোনার জন্য ঘরে বসে থেকেই নারীরা এখন উদ্যোক্তা হয়ে উঠছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বিপ্লবের কারণে অনলাইনের মাধ্যমে নারীরা এখন ক্ষুদ্র ব্যবসার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

এটা কিন্তু জয়িতার একটি সাফল্য। এখন দেশে নারীরা তাদের পরিবারে আর্থিক সহযোগিতায় অনেকটাই হাল ধরছে। তারা কোনো না কোনোভাবে অর্থের সংস্থান হলেই কিছু একটা উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

 

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কাজী রওশন আক্তার।

 

স্বাগত জানান মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর খুলনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নার্গিস ফাতেমা জামিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, খুলনার জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব কাজী রওশন আক্তার বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে নারীদের রয়েছে অসামান্য অবদান। জয়িতারা সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।