আজ ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

দেশত্যাগ

১৩ মিনিট আগেই দেশত্যাগ করেন পি কে হালদার ইমিগ্রেশনে চিঠি পৌঁছানোর

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: দুদকের চিঠি যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পৌঁছানোর ১৩ মিনিট আগে দেশত্যাগ করেছেন প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদার আদালতে তথ্য দিয়েছে এসবির ইমিগ্রেশন শাখা। সোমবার এমন নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে কানাডায় জীবন যাপন করছেন পি কে হালদার।

 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যান।দুদক আইনজীবীর দাবি, পি কের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে দুদকের কোনো দায় নেই।ইমিগ্রেশন পুলিশের এ রিপোর্ট আগামী ১৫ মার্চ দাখিল করা হবে হাইকোর্টে। এরপরই নির্ধারিত হবে কার দায়ে সেদিন পালিয়ে গেলেন পি কে হালদার।এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট প্রশ্ন তুলেছিলেন পি কে হালদারের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে।

 

তখন আদালত জানতে চান পাসপোর্ট জব্দ থাকার পরও তিনি কিভাবে পালিয়ে যান। একইসঙ্গে পি কে হালদার যেদিন দেশ ত্যাগ করেছিলেন, সেদিন বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের দায়িত্বরতদের এবং দুদকের দায়িত্বে কে কে ছিলেন তার তালিকাও দাখিল করতে বলেছিলেন আদালত।এদিকে পি কে হালদার এবং তার সহযোগী ও ৩৯ প্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ফ্রিজ (স্থগিত) করেছে দুদক।

 

এসব টাকা পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের ব্যাংক হিসাবে গচ্ছিত ছিল। বিএফআইইউর সহযোগিতায় দুদক এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফ্রিজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে আরো অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে দুদক।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ পাচারের মামলায় আলোচিত ব্যাংকার প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের প্রায় ৫৯ একর জমি জব্দের নির্দেশ দেয় আদালত।

 

এসব জমির মধ্যে রাজধানীর পূর্বাচলসহ বিভিন্ন স্থানে থাকা পি কের প্রায় ৫৯ একর জমি রয়েছে।একইদিন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দীনের তত্ত্বাবধানে পি কে হালদারকে অর্থ লোপাটে সহযোগিতা ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় রিমান্ডে আনা হয় অবন্তিকা বড়ালকে।

 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বলা হয়, পি কে হালদারের ধানমন্ডির সাড়ে চার কোটি টাকার ফ্ল্যাটটি অবন্তিকা বড়ালের নামে পাওয়া গেছে।এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে থাকা ৮৩ জনের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কৌশলে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি ও তার সহযোগীরা। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ১৫শ’ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে।