আজ ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

1

৮ বছর মেয়াদে অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেবেন বাইডেন

প্রথমবার্তা প্রতিবেদকঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আর মাত্র একদিন পরেই শপথ নিচ্ছেন ডেমোক্র্যাট নেতা জো বাইডেন। ক্ষমতা গ্রহণের দিনই ১ কোটি ১০ লাখ অভিবাসীকে আট বছর মেয়াদে নাগরিকত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এ প্রক্রিয়ায় দ্রুততার সাথে নাগরিকত্ব পাবেন তারা। খবর এপি’র।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে চার বছর ধরে নিয়ন্ত্রণমূলক নীতি ও গণহারে দেশে পাঠিয়ে দেয়ার শিকার হওয়া ল্যাতিন ও অন্যান্য অভিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাইডেন যে প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া হবে এ নতুন সিদ্ধান্তটিতে। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরাট বিপরীতমুখী পরিবর্তন হতে যাচ্ছে বাইডেনের সিদ্ধান্তটি।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাইডেন অভিবাসীদের বিষয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে আমেরিকান মূল্যবোধের প্রতি নির্মম আক্রমণ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, তিনি এ ক্ষতি পূরণের পাশাপাশি সীমান্ত রক্ষায় কাজ করে যাবেন।

নতুন আইনে যারা ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ মর্যাদা ছাড়া বসবাস করছেন তারা যদি যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হন, কর পরিশোধ এবং অন্যান্য প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেন তাহলে সাময়িক বৈধতা বা গ্রিন কার্ডের জন্য পাঁচ বছর সময় পাবেন। সেখান থেকে নাগরিক হতে চাইলে এ জন্য সময় পাওয়া যাবে তিন বছর।

এছাড়াও, ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম দশদিনে ট্রাম্পের নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাতিল করবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার মধ্যে অন্যতম অবশ্যই প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে ট্রাম্পের সরে আসার সিদ্ধান্ত। বাইডেন ফের একবার এই চুক্তিতে আমেরিকাকে অন্তর্ভুক্ত করবেন। এছাড়া বাতিল করা হবে সাতটি ইসলামিক রাষ্ট্র থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এর আগে জো বাইডেনের চিফ অব স্টাফ রন ক্লেইন এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের প্রথমেই চারটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে- করোনা সংকট, তার কারণে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক মন্দা, জলবায়ু সংকট এবং জাতিবিদ্বেষ মূলক নানান সমস্যা। আর এগুলোর দ্রুতই সমাধান প্রয়োজন। হোয়াইট হাউসে প্রথম দশদিনে নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন এই সমস্যগুলো সমাধান করবেন, যাতে ফের একবার আমেরিকা বিশ্বে তার পুরনো স্থান ফিরে পায়।