আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কে এই ফারাহ হক, বিবস্ত্র হয়ে থাই বৌদ্ধ মন্দিরে উঠে কেলেঙ্কারি বাধালেন!

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ সম্ভবত তিনি অতিরিক্ত মদ পান করেছিলেন। নেশার ঘোরে নিজের শরীরের সব পোশাক খুলে একটি বৌদ্ধ মন্দিরের উপরে উঠে পড়লেন।  শুধু তাই নয়, স্থানীয় থাই বাসিন্দাদের সামনেই তীব্র চিৎকার করে তিনি স্লোগান দেন ও তারস্বরে চিৎকার শুরু করেন। এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। ব্রিটেনের ডেইলি মেইল বলছে, এই কেলেঙ্কারি যিনি করেছেন তিনি আদতে একজন পর্যটক। নাম ফারাহ হক। বয়স ২৮।

মেইল আরো দাবি করছে, ফারাহ হক একজন বাংলাদেশি।

 

ব্রিটেনের সানও এ খবর দিয়েছে। তাদের খবরে এই নারীর বয়স ২৮ বললেও ইংরেজি নয় এমন একটি গণমাধ্যম বলছে ২২। থাই পুলিশ বলছে, পর্যটক হিসেবে থাইল্যান্ডে গিয়ে ওই নারী শিক্ষকতা করছিলেন। এক্ষেত্রে ২৮ বয়স হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি!

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি থাইল্যান্ডের উত্তর ভাগের একটি বৌদ্ধ মন্দিরে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় উঠে পড়েন। এমনকি ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধরাও পড়ে। তাঁর হাতে ছিল একটি বিয়ারের ক্যান।

ভিডিওতে দেখা যায়, সেখানে উঠে ওই নারী পথচারীদের উদ্দেশ্যে চিতকার করছেন। বলা হচ্ছে, এ সময় তিনি অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করিছেলন। এরপরেই সেখানে পুলিশ এসে উপস্থিত হয় এবং ওই মহিলাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় প্রুং সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে। ক্যামেরায় ওই নারীকে সম্পুর্ণ নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় তিনি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী করছিলেন।

জানা যায়, পথচারীরা তাঁকে নেমে আসতে বললেও তিনি তারস্বরে তাঁদের উদ্দেশ্যে চেঁচাতে থাকেন। ডেইলি মেলের প্রতিবেদনে তাঁর পরিচয় বাংলাদেশি বললেও কীভাবে তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হল তার উল্লেখ করেনি। মনে করা হচ্ছে, পুলিশের বক্তব্য ধরে এই পরিচয় দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, প্রথমে এই নারী পর্যটক হিসাবে সে দেশে ঢোকেন। কিন্তু এপ্রিল থেকে তিনি একজন ইংরেজ শিক্ষক হিসাবে কাজ করছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, থাইল্যান্ডের একটি হোটেলেই থাকেন তিনি।

পুলিশ আরো বলছে, তাঁদের সন্দেহ ওই নারী মাতাল হয়ে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি। যারফলে এমন কাণ্ড ঘটেছে। পুলিশের বক্তব্য। “আমাদের প্রথম কাজ ছিল তাঁকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, যাতে তাঁকে চিকিৎসক পরীক্ষা করতে পারেন।”

আরো জানা যায়, পুলিশ ফারাহ হককে সরিয়ে নেয়ার পর স্থানীয় মানুষজন বৌদ্ধ মন্দিরটি পরিচ্ছন্ন করায় লেগে পরেন।

সূত্র: ডেইলি মেইলি ও ডেইলি সান, ব্রিটেন