আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পরীক্ষা চলছে ভারতে ৩টি করোনা ভ্যাকসিনের: মোদি

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ  করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ভারত। এতোদিন একটি করোনা টিকার কথা জানা গেলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানালেন, তার দেশে ৩টি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চলছে।শনিবার ভারতের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা জানান মোদি। খবর এনডিটিভির।ভারতের তৈরি প্রথম করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির (এনআইভি) সাহায্য নিয়ে এই টিকা তৈরি করেছে হায়দারাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক। প্রথম ধাপে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর এই টিকা ‘নিরাপদ’ বলেই দাবি করছেন দেশটির চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।এরইমধ্যে শনিবার স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে জানান, দেশে ৩টি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিন নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চলছে। তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে সবুজ সংকেত দিলেই আমরা উৎপাদন শুরু করবো। এই ভ্যাকসিন কীভাবে প্রতিটি ভারতীয়র কাছে সবচেয়ে কম সময়ে পৌঁছবে- তা নিয়ে আমরা একটি রোডম্যাপও প্রস্তুত করেছি।এছাড়াও লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও ঘোষণা করেন, শিগগিরই একটি জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য অভিযানের ঘোষণা করা হবে, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক একটি স্বাস্থ্য আইডি পাবেন।এবার নিয়ে সপ্তমবার দিল্লির লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তবে এবারের চিত্র অন্যবারের চেয়ে অনেকটাই ভিন্ন। করোনা মহামারির কারণে খুব কম সংখ্যক অতিথি নিয়ে এবারের অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।লালকেল্লায় ভাষণ দেওয়ার সময় প্রথমেই মোদি করোনা যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, আমরা এক অদ্ভুত সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।পুরো জাতির পক্ষ থেকে, আমি সব করোনা যোদ্ধাকে ধন্যবাদ জানাই। স্বাস্থ্যকর্মী থেকে চিকিৎসক ও নার্স- প্রত্যেকে জাতির সেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।মোদি বলেন, এই করোনা পরিস্থিতিতে অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি, ১৩০ কোটি মানুষের মনোবলকে পাথেয় করে আমরা এই সংকটকে পরাজিত করবোই।প্রসঙ্গত, ভারতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষ করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। আর আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ লাখের বেশি।