আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

তাইওয়ানকে ৬৬টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চিন্তা বাড়ছে চীনের

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:চীনের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তাইওয়ানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক মজবুত করছে ট্রাম্প প্রশাসন। কয়েক দিন আগেই তাইওয়ান সফরে যান ট্রাম্প প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। এর পরেই জানা যাচ্ছে, বিশাল সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাইওয়ান।

জানা গেছে, আমেরিকার কাছ থেকে ৬৬টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে তাইওয়ান। আর সে জন্য ছয় হাজার ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্রচুক্তি করেছে দেশটি। বিগত কয়েক বছরে তাইপে ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় অস্ত্রচুক্তি। আর এই সামরিক চুক্তির কারণে তাইওয়ান ও আমেরিকার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এমনটাই আশঙ্কা সামরিক পর্যবেক্ষকদের।

ওয়াশিংটন এবং তাইপের মধ্যে হওয়া নতুন চুক্তির আওতায় আমেরিকা তাইওয়ানের কাছে ৬০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে এফ-১৬ রয়েছে। মার্কিন এই সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমানকে একাধিকবার আপগ্রেডেশন করা হয়েছে।জানা যাচ্ছে, আধুনিক সেই যুদ্ধবিমান দেওয়া হবে তাইওয়ানকে।

শুধু তা-ই নয়, তাইয়ানকে যেসব বিমান দেওয়া হবে তা হবে এফ-১৬ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ভার্সন। আগামী ১০ বছরে  তাইওয়ান এসব বিমান হাতে পাবে। এমনটাই ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়েছে।যদিও মার্কিন এই সিদ্ধান্তের পাল্টা তীব্র হুঙ্কার ছেড়েছে চীন। একেবারে কড়া ভাষায় আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং।

বেইজিংয়ের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাইওয়ানকে এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করা হলে ওয়াশিংটনকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, রীতিমতো যুদ্ধের হুঙ্কার বেইজিংয়ের। যদিও আমেরিকা সেই হুঁশিয়ারি একেবারে কানে নিতে নারাজ।উল্লেখ্য, গত বছরই তাইওয়ানকে আমেরিকা ৬৬টি এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করার ইঙ্গিত দিয়েছিল। বেইজিং তখনই আমেরিকাকে তাইয়ানের সঙ্গে অস্ত্রচুক্তি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। ফের একবার সেই পথেই হাঁটল ট্রাম্প প্রশাসন।সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।