আজ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে অন্যরকম সিদ্ধান্ত

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: দেশে করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলে আগের মতো আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হবে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে হবে।এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা চূড়ান্ত করতে মঙ্গলবার একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম হোসেন।

সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।খসড়া নির্দেশনায় দেখা গেছে, স্কুলের গেটে বা প্রবেশের স্থানে হাত ধোয়ার জন্য সাবান ও পানির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে প্রবেশ করবে। এছাড়া থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মেপে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করানো হবে।এছাড়া বিদ্যালয় খোলার সরকারি নির্দেশনা আসার পর ন্যূনতম ১৫ দিন আগে শিক্ষক, কর্মচারী এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সদস্যদের উপস্থিতিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ক্লাস উপযোগী করে বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্ন করে তুলতে হবে। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে বলেও খসড়া নির্দেশনায় দেখা গেছে।এ বিষয় নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগের মতো আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হবে না।

বিদ্যালয় খোলার ১৫ দিন আগে থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রস্তুতি শুরু করা হবে।ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করণীয় ও প্রতিদিন কীভাবে ক্লাস পরিচালনা করা হবে সেসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।এর আগে সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তবে কবে নাগাদ খুলবে তা আগামী ২৫ আগস্টের পর জানা যাবে।করোনা সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে এই বন্ধের মধ্যে যাতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি না হয় সেজন্য সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে সরকার প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছে।এছাড়া বাংলাদেশ বেতারসহ বেশ কয়েকটি রেডিও’র মাধ্যমেও এরইমধ্যে পাঠদান শুরু হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও অনলাইনের মাধ্যমে তাদের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছে।