আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

দীর্ঘ বিরতির পর ২০ দেশের সঙ্গে ফ্লাইট চালু করছে ভারত

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  বিমান চালানোর কথা মাথায় রেখে ২০ টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে ভারত। ‘এয়ার বাব্‌ল অ্যারেঞ্জমেন্ট’-এর জন্য  এরই মধ্যে ১৩টি দেশের সঙ্গে এই  আলোচনা শুরু করেছে  ভারত। এই ১৩ দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুরও রয়েছে। মঙ্গলবার এ খবর দিয়েছেন ভারতের বেসামরিক বিমানমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। এই চুক্তির আওতায় উভয় দেশের বিমান সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট বিধিনিষেধের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালাতে পারে।

বিশ্বজুড়ে কভিড সংকটের কারণে প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বেশ কয়েক মাস ধরে বিমান বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় আলোচনা সাপেক্ষে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিমান চালু রাখতে ভারত গত জুলাই থেকে কয়েকটি দেশের সঙ্গে পৃথক ভাবে চুক্তি করেছে। বেসামরিক বিমানমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এদিন জানান, গত জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ, কাতার ও মালদ্বীপের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় এয়ার বাবল অ্যারেঞ্জমেন্ট  চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। হরদীপ সিং পুরী এদিন ট্যুইট করে জানান, আমরা এই প্রচেষ্টাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছি। বর্তমানে আরও ১৩টি দেশের সঙ্গে কথা হচ্ছে।

মন্ত্রীর কথা অনুযায়ী, এই ১৩টি দেশের মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, জাপান, নিউজিল্যান্ড, নাইজেরিয়া, বাহারিন, ইসরায়েল, কেনিয়া, ফিলিপিন্স, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ড। বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আরও জানান, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটানের কাছেও ‘এয়ার বাবল্‌স’-এর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও এই প্রস্তাব নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়নি।

এই চুক্তির আওতায় ১৮ জুলাই থেকে ১ অগস্টের মধ্যে এয়ার ফ্রান্স দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও প্যারিসের মধ্যে ২৮টি বিমান চালিয়েছে। এয়ার বাব্‌লস চুক্তি অনুসারে আমেরিকার ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ভারত-আমেরিকার মধ্যে ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১৮টি ফ্লাইট চালিয়েছে। ব্রিটেনের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে প্রতিদিন দিল্লি ও লন্ডনের মধ্যে দু’টি বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ২৩ মার্চ থেকে ভারতে যাত্রিবাহী আন্তর্জাতিক বিমানের বন্ধ রয়েছে। লকডাউনের কারণে ২৫ মে থেকে দু-মাস যাত্রিবাহী দেশীয় বিমানও বন্ধ রাখা হয়।