আজ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

চীনের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া?

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ সারা বিশ্ব জুড়ে এখন সবার একটাই চাওয়া, তা হলো করোনার ভ্যাকসিন। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়ার দৌড়ে কে কত এগিয়ে রয়েছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। এখন পর্যন্ত ৯০ টি দেশের তালিকা তৈরি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যাদেরকে আগে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এরই মধ্যে  চীনের সিনোভ্যাক কম্পানি ইন্দোনেশিয়াকে ৫ কোটি ডোজ দেওয়ার আশ্বাস জানিয়েছে ।

আগামী নভেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে সিনোভ্যাক কম্পানি থেকে করোনার ভ্যাকসিন পাবে ইন্দোনেশিয়া,এমনটাই নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়ার ওষুধ কম্পানি বায়ো ফার্মা। চীন সফরকালে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি এ বিষয়ক এক চুক্তিতে সাক্ষর করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার  রাষ্ট্রায়ত্ত বায়ো ফার্মা ২০২১ সালের শেষ নাগাদ পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের অগ্রাধিকার পাবে।

এদিকে সিনোভ্যাক এখন পর্যন্ত কোন মন্তব্য না করলেও শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, নভেম্বর থেকে মার্চ প্রতি মাসে ১০ কোটি ডোজ করে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এরই মধ্যে গেল সপ্তাহে সিনোভ্যাকের ততৃীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু হয়েছে যেখানে ইন্দোনেশিয়ার ১ হাজার ৬২০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিচ্ছে। বায়ো ফার্মা  বলেছে যে ২০২০ সালের মধ্যে মানব পরীক্ষার মাধ্যমে ২৫ কোটি ডোজ উৎপাদন করার ক্ষমতা রাখবে ইন্দোনেশিয়া।

এদিকে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে গবেষণা মন্ত্রী বামবাং ব্রডজোনগোরো বলেছিলেন যে ইন্দোনেশিয়া নিজস্ব করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে। ২০২১ সালের এর  কাজ শুরুর কথা রয়েছে বায়ো ফার্মার। ইন্দোনেশিয়ায় এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৮ জন মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৬ হাজার ৫শ মানুষ। দেশটির ২৬ কোটি মানুষের জন্য করোনার ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চায় কতৃপক্ষ।