আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

‘করোনাকালে ফিজিওথেরাপি সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে’

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ করোনাকালে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আমেরিকা থেকে আসা ডক্টরেট ইন ফিজিকাল থেরাপি ও ব্যাক ইন মোশন-এর চেয়ারম্যান ড. তাজিয়া সরদার।

ড. তাজিয়া বলেন, ‘অসুস্থতা, দুর্বলতা, বিকলঙ্গতা কাটিয়ে উঠতে ফিজিওথেরাপি যেমন সহায়ক হতে পারে, তেমনি স্বাভাবিক সুস্থ মানুষও এই ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে তিনি তার শারীরিক সক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করতে পারেন।’

‘করোনাকালে ফিজিওথেরাপি’ শীর্ষক এক সেমিনারে ড. তাজিয়া আরো বলেন, করোনাভাইরাসের আক্রমণে জ্বর, কাশি, দুর্বলতা এবং ফুসফুসের যন্ত্রনায় শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস নিতে বাতাসের অভাববোধ তৈরি হয়। তা থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ বিছানায় বিশ্রাম নিতে হয়। এই অবস্থা থেকে দ্রুত শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়া ও ফিটনেস বৃদ্ধির জন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষভাবে কার্যকরী হতে পারে।

তাজিয়া বলেন, করোনা আমাদের বুঝিয়েছে রোগ প্রতিরোধে নিজেদের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক সুস্থতার কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে ফিট রাখা, মনকে প্রশান্ত রাখা, ইমিউন সিস্টেমকে সদা সক্ষম রাখার কোনো বিকল্প নেই।

আজ রবিবার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাক ইন মোশন সম্পূর্ণ আমেরিকান পদ্ধতিতে রাজধানীর গুলশানে স্থাপিত ফিজিওথেরাপি ক্লিনিক। আধুনিক চিকিৎসা সামগ্রীতে সাজানো এই ফিজিওথেরাপি সেন্টারটি প্রতিটি রোগীর জন্য রয়েছে সম্পূর্ণ কাস্টমাইজড বা ব্যক্তিগত চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রত্যেক রোগীকে আলাদাভাবে রোগের ইতিহাস ও সমস্যার বিবরণ শুনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টদের ধারাবাহিক ও সর্বোচ্চ দক্ষতার প্রয়োগ রোগীকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করে।

সুদক্ষ ও চৌকস টিম পরিচালিত ‘ব্যাক ইন মোশন’ রোগ নির্ণয়ের পর আধুনিক আমেরিকান পদ্ধতিতে ম্যানুয়াল থেরাপি প্রয়োগ করে পেশির সম্প্রসারণ, স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রোগ নিরাময়ের জন্য কিনিজিও ট্যাপিং, ইয়োগা, পিলাটিস পদ্ধতিও এই সমন্বিত ব্যবস্থায় প্রয়োজন মতো ব্যবহার করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে রয়েছেন ড. তাজিয়া সরদার।

ড. তাজিয়া নিউ ইয়র্কের স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটি থেকে ফিজিওথেরাপির ওপর ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। এর আগে একই ইউনিভার্সিটির হেলথ সায়েন্স বিভাগ থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।