আজ ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

দেশে বৃষ্টি ঝরবে আরও চারদিন

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ মধ্য বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও অমাব্যসার কারণে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের চেয়েও বেশি উচ্চতায় জোয়ার হওয়ায় লোকালয়ে পানি ঢুকেছে।

গতকাল বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগরে লঘু নিম্নচাপ ও অমাব্যসার কারণে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের চেয়েও বেশি উচ্চতায় জোয়ার হওয়ায় লোকালয়ে পানি ঢুকেছে।

এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমী বায়ু ও ভারী বৃষ্টির কারণে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার বায়ুতাড়িত জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হতে পারে।

গতকাল বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরার নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের মধ্যভাগ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে ভারতের মধ্যপ্রদেশের উত্তর পশ্চিমভাগ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে আরো তিন থেকে চারদিন বৃষ্টি হবে।

এদিকে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব বাঁধের মেরামত কাজ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। তিনি বলেন, অনেকগুলো বাঁধ আছে ৫০-৬০ বছর আগের, কোনোটা ২৫-৩০ বছর আগের। পর্যায়ক্রমে সবগুলো বাঁধকে উঁচু প্রশস্ত করা দরকার। বাঁধ দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে জনবল নিয়োগ করেছি।