আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

করোনার সময়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন মাহিয়া মাহি

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ মাহিয়া মাহি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই তারকা চলচ্চিত্রে এন্ট্রি করেই দৃষ্টি কেড়েছিলেন। পুরো নাম শারমিন আকতার নিপা। ২০১২ সালে ভালোবাসার রঙ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাহীর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন। চলতি প্রজন্মের জনপ্রিয় নায়িকা তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরুতে পর পর বেশকিছু ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন মাহি। যার কারণে ‘হিট’ নায়িকার তকমাও জুড়ে যায় তার নামের পাশে। দর্শকদের মাঝেও অন্যরকম গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় মাহির। সর্বশেষ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘জান্নাত’ ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন এ নায়িকা। এদিকে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই ঘরবন্দি সময় কাটিয়েছেন মাহি। তেমন একটা বের হননি। এরইমধ্যে জুন থেকে শুটিং শুরু হয়েছে নাটক ও চলচ্চিত্রের।

স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শুটিং করছেন অনেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় করোনার পর বলা চলে মাহির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটছে চলচ্চিত্রে। এরইমধ্যে অনন্য মামুন পরিচালিত ‘নবাব এলএলবি’ ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এ ছবিতে মাহি দ্বিতীয়বারের মতো জুটি বাঁধবেন নাম্বার ওয়ান নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে। খুব শিগগিরই এ ছবির কাজ শুরু হবে।

এরইমধ্যে এই ছবির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছেন মাহি। অন্যদিকে সরকারি অনুদানের ভিন্নধর্মী গল্পের ছবি ‘আশীর্বাদ’-এ কাজ করতে যাচ্ছেন এ নায়িকা। সম্প্রতি এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মাহি। এখানে তার নায়ক রোশান। জেনিফার ফেরদৌস প্রযোজিত এ ছবিটি পরিচালনা করবেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। দু’টি ছবিতেই দুই রূপে দেখা মিলবে মাহির।

এ প্রসঙ্গে মাহি বলেন, সত্যি বলতে কী করোনার পর এমন ভালো কিছুর মাধ্যমেই ফিরতে চাচ্ছিলাম। ‘নবাব এলএলবি’ এবং ‘আশীর্বাদ’ ছবি দুটো সে যাত্রা সহজ করে দিলো। দু’টি ছবির গল্পই দারুণ। চরিত্রও বেশ মনে ধরেছে। নিজেকে প্রমাণের সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের ছবিতেই আসলে আমি কাজ করতে চাই। এদিকে ‘আশীর্বাদ’ ও ‘নবাব এলএলবি’ ছবি দু’টির শুটিং খুব দ্রুতই শুরু হবে। দু’টি ছবিই ভালোভাবে শেষ করতে চান মাহি। বলেন, করোনার সময়টাতে নিজেকে প্রস্তুত করেছি। মন যেন ভালো থাকে সে চেষ্টা করেছি।

তবে কতদিন কাজ ছাড়া থাকা যাবে! সব জায়গাতেই এখন কাজ শুরু হয়েছে। তবে অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়মকানুন মেনেই শুটিং করতে হবে। কারণ নিরাপত্তাটাই সবার আগে।