আজ ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

৮টি হার্ডড্রাইভ নষ্ট করার পরই সুশান্তের বাড়ি ছাড়তে রাজি হন রিয়া!

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় পাওয়া গেল গুরুতর তথ্য। সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সিদ্ধার্থ পিটানি, দীপেশ সাওয়ান্ত এবং স্যামুয়েল মিরান্ডা স্বীকার করেছেন বেশ কিছু বড় তথ্য।

 

সিদ্ধার্থ, দীপেশ, স্যামুয়েলদের সেই দাবি অনুযায়ী, ৮ জুন রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে সুশান্ত সিং রাজপুতের বড়সড় ঝামেলা হয়। এরপরই সুশান্তের ব্যান্দ্রার ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যান রিয়া। শুধু তাই নয়, সুশান্তের মৃত্যুর আগে অর্থাত ৮ জুন ৮টি হার্ডড্রাইভ নষ্ট করে দেওয়া হয়। সুশান্তের ফ্ল্যাটের মধ্যেই ওই ৮টি হার্ডড্রাইভ নষ্ট করা বলে জানা গেছে। তবে ওই হার্ডড্রাইভের মধ্যে কী ছিল, সে বিষয়ে জানা যায়নি।

 

জানা গেছে, সুশান্ত নিজের হাতে ওই ৮টি হার্ডড্রাইভ নষ্ট করে দেওয়ার পরই রিয়া অভিনেতার বাড়ি ছাড়তে রাজি হন। রিয়া এবং সুশান্তের ৮ জুনের ওই ঝামেলার সময় সেখানে দীপেশ সাওয়ান্ত এবং স্যামুয়েল মিরান্ডা হাজির ছিলেন। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কী ছিল ওই ৮টি হার্ডড্রাইভের মধ্যে! যদিও সে সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট তথ্য ওই ৩ জন প্রকাশ করতে পারেননি।

 

ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সুশান্ত এবং রিয়ার সেদিন ঝগড়া হয়, এবং তারপর রিয়া বাড়ি ছাড়বার সিদ্ধান্ত নেয়। করোনাভাইরাস লকডাউন শুরুর আগে থেকেই সুশান্তের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটেই থাকছিল রিয়া। সিদ্ধার্থ জানিয়েছে ওই ৮ হার্ড ড্রাইভে কী ছিল তা তিনি জানেন না কিন্তু দেখেছেন একজন আইটির লোক সেদিন বাড়িতে আসে এবং রিয়া ও সুশান্তের উপস্থিতিতে ৮ হার্ড ড্রাইভ ক্নিন করে ফেলেন। এই ঘটনার সাক্ষী হিসাবে হাউজ হেল্প দীপেশ সাওয়ান্ত এবং রাঁধুনি নীরজের নাম নিয়েছে সিদ্ধার্থ পিঠানি।

 

১৪ জুন সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই গোটা ভারত জুড়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। সুশান্ত যদি মানসিক অবসাদেই ভুগছিলেন, ওযুধ খাচ্ছিলেন, তাহলে কেন তাঁকে ছেড়ে ৮ জুন  বেরিয়ে যান রিয়া! যদিও রিয়া পালটা দাবি করেন, তিনি সুশান্তকে ছেড়ে যেতে চাননি। অভিনেতার বোন সেখানে যাবেন বলেই রিয়া সুশান্তের বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে দাবি করেন রিয়া।

 

এদিকে রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে মাদক চক্রের যোগ রয়েছে। সম্প্রতি জয়া সাহা নামে এক মহিলার সঙ্গে রিয়ার হোয়াটস অ্যাপের চ্যাট প্রকাশ্যে আসার পর আলোচনা শুরু হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, রিয়ার ভাই সৌভিকের বন্ধু গৌরবের কাছ থেকেও রিয়া নিষিদ্ধ মাদক আমদানি করতেন বলে প্রকাশ পায় তাঁদের কথপোকথন।

 

এমন অভিযোগও ওঠে। যা নিয়ে শুরু হয়ে যায় হইচই। এমনকী,সুশান্ত গাঁজা ছাড়তে চাওয়ার পর, রিয়া লুকিয়ে তাঁকে মাদকের অভ্যেস করান বলেও অভিযোগ ওঠে। যা ইতিমধ্যেই নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো এবং সিবিআই খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।