আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ইতালিতে ব্যবসা ও চাকরিতে মন্দা, ভালো নেই বাংলাদেশিরা

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ ইতালিতে লকডাউন তুলে নেয়ার পর আবারও বাড়তে শুরু করেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় ধাপে হানা দিতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ফের করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় নাগরিকদের নিয়ে আবারো ভাবতে হচ্ছে ইতালি সরকারকে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৯৬ জন। এই দিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। সোমবার দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৮৮৩ জন।

গত ফেব্রুয়ারীতে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয় ইতালিতে। মার্চ থেকে মহামারি আকারে ধারণ করে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করেন দেশটির সরকার।

পরবর্তীতে করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় জুন থেকে লকডাউন তুলে নেয়ার পর স্বস্তি ফিরেছিল ইতালিতে। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল জীবনযাত্রা। তবে লকডাউন তুলে নেয়ার পর আবারো বাড়তে শুরু করেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত এলাকায় নতুন করে দেয়া হচ্ছে লকডাউন।

এদিকে ইতালিতে ফের করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতংকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনায় বিপর্যস্ত দেশটিতে অনেক প্রবাসীই চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসায় মন্দা চরম। যারা সম্প্রতি দেশে ছুটি কাটাতে গেছেন তাদের অনেকেরই ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অনেকেই এখনো ফিরে যেতে পারেনি। যেকারণে অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। এদিকে, অনেকে দুই তিন বার টিকেট কিনেও যেতে পারেনি। এ কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রবাসী।

করোনায় বিপযর্স্ত ইতালির অর্থনীতির পুনর্গঠনে ১৭২ মিলিয়ন ইউরো অর্থ সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এই অর্থ সহায়তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করে ইতালি। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস শনাক্তে চালু হওয়া ইম্মনি অ্যাপ সবাইকে ডাউনলোড করার আহ্বান জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে। তিনি বলেন, এই অ্যাপ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী এবং তার সংস্পর্শে থেকেছে এমন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম। অ্যাপের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।