আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ধ্বংসস্তূপে প্রাণের সন্ধান বৈরুতে

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ এক মাস পরেও বৈরুতে ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসাবশেষ। তারই ভিতর এখনও কেউ বেঁচে আছেন বলে মনে করছেন উদ্ধারকারীরা। খবর ডয়চে ভেলে’র।বিস্ফোরণের পর কেটে গিয়েছে এক মাস।

 

সামাজিক, রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। তবে লেবানেনর রাজধানী বৈরুতে এখনও দিকে দিকে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে। বৃহস্পতিবার তেমনই এক ধ্বংসাবশেষের তলায় প্রাণের সন্ধান পেয়েছে উদ্ধারকারী দল।

 

যদিও শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সেখান থেকে কাউকে উদ্ধার করা যায়নি। খুব সাবধানে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা।গত ৪ অগাস্ট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বৈরুত। বন্দর অঞ্চলে একটি গুদামে বিস্ফোরণ হয়।

 

দেড়শরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। গোটা শহর কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। নিখোঁজ হয়ে যান অনেকে। ৫ অগাস্ট থেকেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে।

 

এক মাস পরেও সেই কাজ চলছে। দেশ বিদেশ থেকে বহু উদ্ধারকারী বৈরুতে পৌঁছেছেন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে।বৃহস্পতিবার তেমনই কিছু যন্ত্র নিয়ে একটি এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছিলেন চিলির একটি দল।

 

হঠাৎই এক জায়গা থেকে প্রাণের সন্ধান পান তাঁরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ডয়চে ভেলের প্রতিনিধিকে উদ্ধারকারীরা জানান, তাঁদের কাছে এমন একটি যন্ত্র আছে, যার সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে থাকলে তাঁর হার্টের শব্দ ধরা পরে।

 

প্রাথমিক ভাবে প্রাণের সন্ধান পেয়েই আশপাশের সকলকে মোবাইল সুইচড অফ করতে বলা হয়। সকলকে শান্ত হতে বলা হয়। এর পর ধ্বংসস্তূপের আরও কাছে গিয়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। নিয়ে আসা হয় কুকুর।

 

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এক মাস ধরে কেউ আটকে থাকলে বেঁচে থাকা মুশকিল। কিন্তু মিরাকেল হয়। এ ক্ষেত্রেও তেমনই কিছু ঘটেছে কি না, তা দেখতে হবে। কিন্তু যে ভাবে ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে, তাতে দ্রুত কাজ করা কঠিন। খুব সাবধানে কাজ করতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। ফলে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোনও ব্যক্তিকে উদ্ধার করা যায়নি।