আজ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভারত-চীন সীমান্তে ভারতের যুদ্ধবিমান

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক চলার পরেও মেলেনি রফাসূত্র। বরং তারপর থেকে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বেড়েছে এক অপরকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘটনাও।

পরিস্থিতি দেখে ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা ক্রমশ বাড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবারের ওই বৈঠকের পর গত দুইদিন ধরে তার প্রমাণ মিলছে লাদাখ সীমান্তেও। চীন লাগোয়ো ওই সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা ও অস্ত্র-সরঞ্জাম মজুত করে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে ভারত।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, একদিকে যখন সীমান্তের ওপারে থাকা মলডোয় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়ছে অন্যদিকে তখন লালফৌজদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্য লাদাখ সীমান্তে বাড়ানো হচ্ছে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সংখ্যা।

সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, চীনা সেনারা মলডোয় ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়াচ্ছে; গোয়েন্দা সূত্রে এই খবর পাওয়ার পরেই লেহ সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। রোববার সকাল থেকেই দেশটির বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানকে কয়েক ঘণ্টা অন্তর লাদাখের আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে।

সীমান্তে চীনা সেনাদের বিপরীতে যারা কর্তব্যরত রয়েছেন তাদের কাছে বিভিন্ন অস্ত্র-সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে জওয়ানদের লাদাখে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বলেও খবর। বিশেষ করে উত্তর ভারতের বেশ কিছু সেনা জওয়ানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে লাদাখ সীমান্তে।

আরও জানা গেছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) থাকা প্যাংগং সো এলাকার উত্তর ও দক্ষিণ অংশে প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় সেনা জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ওই দুই প্রান্তের বিভিন্ন জায়গা থেকে মলডোয় বাড়তে থাকা চীনা ক্যাম্পগুলোর ওপর লক্ষ্য রাখছেন। বারবার নজরদারি চালানো হচ্ছে আকাশপথেও।