আজ ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরালো হচ্ছে

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে দহরম মহরম আরো বেড়ে যাচ্ছে। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোরের অধীনে রাশাকাই স্পেশাল ইকোনমিক জোন উন্নয়নে আজ সোমবার একটি চুক্তি সম্পাদনের কথা রয়েছে দুই দেশের। এর ফলে তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরালো হবে বলে ধারণা করা যায়।

 

আনুষ্ঠানিকভাবে আজ রাজধানী ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বাসভবনে এই চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। মিনিস্টার অব স্টেট এন্ড বোর্ড অব ইনভেস্টের (বিওআই) চেয়ারম্যান আতিফ বোখারি রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) এর অধীনে রাশাকাই স্পেশাল ইকোনমিক জোন (এসইজেড) উন্নয়নের ফলে ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোনের উন্নয়ন বাস্তবে রূপ নেবে। এর ফলে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেছেন, ওই জোনে এরই মধ্যে ব্যাপক উন্নতি ও সমৃদ্ধি সাধিত হয়েছে সিপিইসির অধীনে। ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ওই অঞ্চলকে।

 

চীনের কাছে পাকিস্তানের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর ফলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনে সহায়ক হবে এসইজেড। তিনি আরো জানান, এসইজেড অ্যাক্ট ২০১২ এর অধীনে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকার একত্রে কাজ করতে বাধ্য।

 

নতুন যে চুক্তি হতে যাচ্ছে তার ফলে এসইজেড স্থাপনে একটি রোডম্যাপ করা হবে। এতে যুক্ত থাকবে কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক সরকার ও উন্নয়নকারী বা ডেভেলপাররা।

 

তারা এসব উন্নয়ন কর্মকা-ের জন্য দায়ী থাকবেন। তারা এসইজেডের কর্মপরিকল্পনার সফলতা নজরদারিকরবেন। রাশাকাই এসইজেড প্রকল্পটির উন্নয়ন করা হবে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে।

 

খাইবার-পখতুনখাওয়া ইকোনমিক জোন ডেভেলপমেন্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে চায়না রোড এন্ড ব্রিজ করপোরেশনের অধীনে। এই প্রজেক্টের অর্থমূল্য ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। প্রজেক্ট বিস্তৃত হবে ১০০০ একর জমিতে।