আজ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আমরা সফল হবই: গয়েশ্বর

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আসুন, একটা সময় ছোট ছোট শিশু-কিশোররা রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলেছিল,‘থামুন, এখানে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে।’

 

আসুন আমরা সেই কাজে নেমে পড়ি। চলুন রাষ্ট্র মেরামতের কাজে উদ্যোগী হই। এ লড়াইয়ে আমরা সফল হবই। এটা কোনো ব্যক্তি বিশেষের লড়াই নয়, সমগ্র দেশের গণতান্ত্রিক মানুষের লড়াই।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।

 

গয়েশ্বর বলেন, আইনের শাসন চাইলেই পাওয়া যায় না। এটাকে অর্জন করতে হয়। এক ভাষনের মধ্যে স্বাধীনতা আসেনি। লক্ষ প্রাণের ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতাকে আনতে হয়েছে।

 

গণতন্ত্রের জন্য রাজপথে যদি মরতে হয় চলেন মরি। যে দেশে বসবাস করবে আমাদের সন্তানরা। আমরা যদি ব্যর্থ হই; আমাদের গালাগাল দেবে। চিতা-কবরে গিয়ে থুতু দিবে। সম্পদ? এটা সন্তানের জন্য সম্পদ না? তারা চায় রাষ্ট্র সঠিক পথে চলুক। যেখান থেকে তারা তাদের মেধাখাটিয়ে অর্থ উপার্জন করবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, পুলিশের সহযোগিতায় যে সরকার হয়, তাদের শাসন করার নৈতিক অধিকার তো সেই সরকার হারিয়ে ফেলে। সে কারণে পুলিশ নিয়ন্ত্রনে নেই।

 

ব্যক্তি বিশেষ পুলিশ খারাপ হলেও সবাই তো খারাপ না। পুলিশ তো অপরাধীকে ধরতে চায়। কিন্তু এক ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছায় দেশ চললে পুলিশের তো কিছু করার থাকে না।

 

বিচার বিভাগ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ যদি সঠিক পথে থাকতে পারতো তাহলে আইনের শাসন কিছুটা হলেও নিশ্চিত হতো। বিচারপতি এস কে সিনহার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিনি এখন বন বাসে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

 

তবে বিচারপতি থাকা অবস্থায় যদি দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করতে পারতেন সত্য-মিথ্যা যাই হোক তাহলে উদাহরণ হয়ে থাকতো। তারপরও বলব এটা একটা শুভ সূচনা।

 

আজকে যারা বিচারের নামে আইন বা বিধি অনুযায়ি জাজমেন্ট না দিয়ে এক ব্যক্তিকে তুষ্ট করতে তার চিন্তা-আকাঙ্খা দেখে জাজমেন্ট দেবেন, তাদেরও এক সময় বিচারের কাঠগোড়ায় দাঁড়াতে হবে।

 

সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চলনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সরাফাত আলী সপু, মীর নেওয়াজ আলী, তাইফুল ইসলাম টিপু, বিলকিস ইসলাম ও কয়েস লোদী প্রমুখ।