আজ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

অভিনেত্রীর ঈর্ষার কারণে নির্মাতা আমাকে বাদ দিয়েছিলেন : মনিরা মিঠু

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: অভিনয়ের পথচলায় দীর্ঘ দেড় যুগ অতিক্রম করেছেন অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। ভিন্ন ধরনের চরিত্রে মনিরা মিঠুর প্রতি নির্মাতাদের চাহিদা সবসময় রয়েছে।তিনি তার অভিনয় গুণাবলী দিয়ে নির্মাতাদের আস্থা তৈরী করে নিয়েছেন। যে কারণে নাটকে এবং সিনেমায় প্রায় সমানতালেই কাজ করছেন তিনি।

 

সম্প্রতি দেশের একটি প্রথম সারির পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন মিডিয়াতে কাজ করার অভিজ্ঞতা।মনিরা মিঠু বলেন, আমার ১৮ বছরের ক্যারিয়ারের প্রথম ছয় বছর হুমায়ূন আহমেদ স্যারের সঙ্গে খুব আনন্দে কাজ করেছি। নুহাশ চলচ্চিত্রের বাইরে এসে টানা ১২ বছর আমাকে কষ্ট করতে হচ্ছে।

 

এই অভিনেত্রী জানান, অনেক নির্মাতা আছেন, যাঁদের নাম শুনলে অনেকেই নাক সিঁটকান, কটাক্ষ করে বলেন, ‘ও, অমুকের নাটকে কাজ করছেন!’ আমি তাঁদের সঙ্গে কাজ করে আরাম পাই। তাঁরাই শিল্পীদের সম্মান দেন। তাঁরা আসমানের ‘ভিউ’ পাওয়া ডিরেক্টর না। তাঁদের মধ্যে মানবিকতা আছে।

 

আর কিছু নির্মাতা আছেন, যাঁরা ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি করার ডিরেক্টর। তাঁদের লক্ষ্য একটা ধারাবাহিক করবেন, দিনে ২০ থেকে ২৫টা দৃশ্য নামাবেন। শিল্পীদের রক্ত-মাংস ছেঁচে দিতে চান সেসব নির্মাতা।

 

কখনো ভেঙে পড়েছিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরা মিঠু বললেন, না। আমার ক্যারিয়ার সব সময় তরতর করে ওপরেই উঠেছে। কারণ শুটিংয়ে যা-ই ঘটুক, সব সময় নিজের অভিনয়টা ভালো করার চেষ্টা করেছি। শিহাব শাহীন, মোস্তফা কামাল রাজ, মাবরুর রশিদ বান্না, কাজল আরেফিন অমির কাজও করি। আবার এমন কিছু নির্মাতার কাজও করি, যাঁদের নাম বলতে চাই না। আবার কারও কারও ষড়যন্ত্রের মধ্যেও পড়ি।

 

এই ঈদের একটি ঘটনা। এক নতুন অভিনেত্রী ভীষণ বাজে-অশ্লীল কথা বলছিল। তা আমি মেনে নিতে পারিনি। প্রতিবাদ করেছি। সে কারণে একজন বড় মাপের অভিনেতা আমাকে ভুল বুঝে কাজ থেকে বাদ দিয়েছিলেন।

 

তাঁকে আমি ভীষণভাবে শ্রদ্ধা করি। আশা করছি তাঁর ভুলটা ভাঙবে। আরেকবার এক পরিচালক আমাকে শুটিং থেকে বাদ দিয়েছিল। তা-ও একজন অভিনেত্রীর ঈর্ষার কারণে ওই নির্মাতা আমাকে বাদ দিয়েছিলেন।

 

ওই অভিনেত্রী ষড়যন্ত্র করে নির্মাতাকে বলেছিলেন, আমি নাকি অনেক সময় ধরে মেকআপ করেছি। এটা নিয়ে নির্মাতা আমার সঙ্গে বেশ বাজে ব্যবহার করে। তখন ভুল-বোঝাবুঝি হয়ে আমি বাদ পড়ে যাই।