আজ ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। খবর ইউএনবি’র।বিশেষ করে যমুনার তীরবর্তী সিরাজগঞ্জের ৫টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত হয়েছে।

 

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এখন হাজার হাজার মানুষ। বহু পরিবার স্থানীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন উচু স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন।যমুনা নদীর পানি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার ও কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (হেড কোয়ার্টার) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, কয়েকদিন ধরে পাহাড়ি ঢল ও দফায় দফায় প্রবল বর্ষণে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

ইতোমধ্যেই যমুনা তীরবর্তী শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এসব অঞ্চলের অনেক কাঁচাপাকা রাস্তাঘাট যোগাযোগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তলিয়ে গেছে রোপা আমনসহ বিভিন্ন ফসল।

 

বিশেষ করে চৌহালী, শাহজাদপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।এদিকে, ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ দফা বন্যায় রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সেইসাথে হাজার হাজার পরিবার বন্যা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

অনেক পরিবার এখনও মানবেতর জীবনযাপন করছে।ক্ষতিগ্রস্ত এসব অঞ্চলে এখনও সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবিএম রওশন কবীর বলেন, যমুনা তীরবর্তী পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।আবারও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।