আজ ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আবারো হাথরসের পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, যোগী সরকারের অনুমতি

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:ভারতের উত্তরপ্রদেশে ধর্ষণে নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আজ আবারো হাতরসে যাচ্ছেন দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শনিবার বিকেলে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে হাথরসে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে যোগীর সরকার।

 

রাহুলের সঙ্গে তাঁর বোন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের আরো তিন জন নেতাকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই মতো গ্রেটার নয়ডা থেকে গাড়ি নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা।

 

আজ দুপুর আড়াইটা নাগাদ শশী তারুর-সহ দলের ৩০ জন সাংসদকে নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা। রূপোলি টয়োটা ইনোভার গাড়ির স্টিয়ারিং ছিল প্রিয়ঙ্কার হাতেই। রাহুল তাঁর পাশে বসেছিলেন।

 

কিন্তু দিল্লি-নয়ডা ফ্লাইওয়েতে ওঠার মুখে তাঁদের পথ আটকায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। কংগ্রেস নেতারা ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

 

কিন্তু সেখান থেকে এক পা-ও পিছোবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন রাহুলরা। গাড়ি দাঁড় করিয়ে সেখানেই সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তৃতা শুরু করেন রাহুল। তার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তাঁদের হাথরসে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

 

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাহুলকে গন্তব্যের অনেক আগেই আটকে দেওয়া হয়েছিল। হাথরসের বুল গড়হী গ্রামে নির্যাতিতার বাড়ি। সেই গ্রামে ঢোকার মুখে ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ। ওইদিন সংবাদমাধ্যমকেও সেখানে আটকে দেওয়া হয়েছিল।

 

পুলিশ জানিয়েছিল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর তদন্ত শেষ না-হওয়া পর্যন্ত গ্রামে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশ নিষেধ। হাথরসের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রকাশ কুমার বলেছিলেন, ‘বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাইরের কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক প্রতিনিধিকে গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না।’সূত্র: আনন্দবাজার।