আজ ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারবান্ধব হতে হবে

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে সাথেই অংশীজনদের সম্পৃক্ত করতে হবে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারবান্ধব হতে হবে।

 

কেননা মানুষ পরিবর্তনকে সহজভাবে গ্রহণ করতে চায় না।শনিবার বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনলাইনে সেবা বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালার ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, অনলাইন সেবা, সময় ও অর্থের সাশ্রয়ের সাথে সাথে দুর্নীতিও লাঘব করবে। অনলাইনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লাইসেন্স তৈরি ও নবায়ন করা গেলেও টাইম-লাইন সুস্পষ্ট করা হয়নি। তাছাড়াও তিনি পুরাতন ডাটা ও নথি ডিজিটালাইজড করার নির্দেশনাও প্রদান করেন।বিস্ফোরক পরিদপ্তরের ১৮ ধরনের সেবা এখন অনলাইনে পাওয়া যাবে।

 

সেগুলো হলো- ১) পেট্রোলিয়াম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত প্রজ্জ্বলনীয় রাসায়নিক পদার্থ আমদানিকরণের অনাপত্তি।

২) সিলিন্ডার, সিলিন্ডারের ভাল্ভ  আমদানিকরণের লাইসেন্স।

৩) প্রজ্জ্বলনীয় এবং বিপজ্জনক পদার্থ আমদানিকরণের অনুমতি।

৪) গ্যাসাধার আমদানিকরণের পারমিট।

৫) খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে ব্যবহার্য বিস্ফোরক আমদানিকরণের লাইসেন্স এবং পারমিট।

৬) নবায়ন সংশ্লিষ্ঠ আবেদন সমূহ।

৭) পেট্রোলিয়াম শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত প্রজ্জ্বলনীয় তরলপদার্থ  আমদানি ও মজুদকরণের লাইসেন্স।

৮) স্থলপথে বিস্ফোরক পরিবহণের লাইসেন্স।

৯) সর্বসাধারনের প্রদর্শনের জন্য আতশবাজীর লাইসেন্স।

১০) এলপিজি  মজুদকরন অথবা মজুদ ও সিলিন্ডারে উক্ত গ্যাস ভর্তি করার জন্য লাইসেন্স।

১১) বিস্ফোরক  ব্যবহারের জন্য স্বল্প মেয়াদে বা স্থায়ী ভাবে  ম্যাগাজিনে / বাঙ্কারে বিস্ফোরক অধিকারে রাখার লাইসেন্স।

১২) জলপথে/ আকাশপথে বিস্ফোরক পরিবহণের লাইসেন্স।

১৩) গ্যাসাধারে গ্যাস (এলপিজি ) মজুদকরণের লাইসেন্স।

১৪) পরিবহণ যানে  গ্যাসপূর্ণ  (এলপিজি ব্যতিত অনন্য গ্যাস ) আধার পরিবহণের  লাইসেন্স।

১৫) পরিবহণ যানে এলপিজি পূর্ণ  আধার পরিবহণের  লাইসেন্স।

১৬) মোটর যানের জ্বালানি হিসাবে সরবরাহের উদ্দেশ্য ট্যাঙ্কে পেট্রোলিয়াম মজুদের লাইসেন্স।

১৭) নদী পথে (জলযানে ) ট্যাঙ্কারে পেট্রোলিয়াম পরিবহনের লাইসেন্স।

১৮) সড়ক পথে  ট্যাঙ্কারে পেট্রোলিয়াম পরিবহনের লাইসেন্স।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে এ টু আই প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল মান্নান ও প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক মো.  মঞ্জরুল হাফিজ সংযুক্ত থেকে বক্তব্য দেন।