আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ফাঁসির আসামি মিন্নির সই ওকালতনামায়

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  সদ্য ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল আবেদনের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত বুধবার ফাঁসির রায় ঘোষণার পরপরই মিন্নির আপিলের জন্য ওই আদালতেই আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী। কারাগার থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওকলাতনামায় মিন্নির স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

 

মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, ‘আমরা ওকলাতনামায় মিন্নির সই ও স্বাক্ষর নিয়েছি। আদালত থেকে সই মোহরকৃত মামলার কপি পেলেই উচ্চ আদালতে যাব। এ জন্য আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে।’মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতের কাছে সইমোহরকৃত মামলার কপি চেয়েছি।

 

কিন্তু তারা ইচ্চাকৃত কালক্ষেপণ করছেন।’এর আগে গত বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

 

মিন্নিসহ ফাঁসির আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন- রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান।

 

আর খালাস পেয়েছেন মুসা, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম ওরফে সাইমুন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ভূবন চন্দ্র হালদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেদিন বিকেলে তিনি মারা যান। পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।