আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

১ মিনিটের জন্য পারলেন না, ফিরে গেল মিঠুর ‘বঙ্গবন্ধু’র ভাস্কর্য

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:মাত্র ১ মিনিটের জন্য পারলেন না বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিজের সৃষ্টিকর্ম প্রতিযোগিতার কাতারে নিতে। শামসুল আরেফিন মিঠু, পিকআপে করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নমুনা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন সাভারের হেমায়েতপুরে।

 

জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চে ভাষণ দেওয়ার ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য গত ৪ সেপ্টেম্বর গণপূর্ট অধিদপ্তর-এর পক্ষ থেকে দরপত্র আহবান করা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর দরপত্র কেনার শেষদিন ছিল।

 

আর আজ ৪ অক্টোবর ছিল ভাস্কর্যের ডামি মডেল (নমুনা ভাস্কর্য) জমা দেওয়ার শেষদিন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। মিঠু ১২ টা ১ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমা দেওয়ার স্থানে প্রবেশ করেন। তার ভাস্কর্যের  ডামি মডেল নেওয়া হয়নি। ভাস্কর শ্যামল চৌধুরীও ডামি মডেল জমা দিতে পারেননি।

 

এ বিষয়ে  শামসুল আরেফিন মিঠু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মাত্র ১ মিনিট দেরি করেছি এজন্য আমার ডামি মডেল নেওয়া হয়নি। এতে আমার আপত্তি নেই। এরকম সময় জ্ঞান থাকা ভালো।

 

তবে শ্যামল চৌধুরী ৫ মিনিট দেরি করে আসায় তারও ডামি নেওয়া হয়নি। কিন্তু সেখানে শিল্পীদের সঙ্গে শিল্পী সুলভ আচরণ করা হয়নি। শ্যামল চৌধুরীর সঙ্গে খুব বাজে ভাবে কথা বলা হয়েছে, এটা দুঃখজনক।’

 

তিনি বলেন, ‘আমি ট্রাকে করে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ভাস্কর্যের ডামি মডেল নিয়ে আসছিলাম। দেরি হবার কথা নয়। তারপরেও ১ মিনিট দেরি হয়েছে। এতে খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক।’

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ২৯ ফুট ৬ ইঞ্চি মূল ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। যার সঙ্গে আলাদা ভাবে যুক্ত হবে কর্ডিয়াম, ডায়াস ও মাইক্রোফোন। ব্রোঞ্জের নির্মিত এই ভাস্কর্যে ৮০ ভাগ কপার, ১৫ ভাগ দস্তা ও ৫ ভাগ টিন ব্যবহার করা হবে।

 

শামসুল আরেফিন মিঠু পড়েছেন খুলনা চারুকলায়। সুরভি, সুন্দরবন লঞ্চে (ঢাকা-বরিশাল রুটের) ছিল তাঁর আঁকা শখানেক ছবি। গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেল মিঠু টেরাকোটা গড়ার দায়িত্ব পালন করেছেন। বনানীর হোটেল সিক্স সিজনস আর রেইনট্রিতে টেরাকোটা করেছেন তিনি। বরিশালে ৭ই মার্চে ভাষণদানরত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইতোমধ্যে নির্মাণ করেছেন তিনি