আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Briefing

ধর্ষণ নিয়ে নুরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য, কমিটি গঠন করেই নতুন পরিষদ নেতা

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: নুরুল হক নুরের সাবেক এক সহকর্মী বলেছেন, সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের ছয় নেতার বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার যে অভিযোগ এনেছেন তার সত্যতা রয়েছে। সংগঠনের ভেতরে বিষয়টি নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা ছিল।

 

সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ও রাশেদ খাঁনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পাল্টা কমিটির ঘোষণা দেয়া এ টি এম সোহেল এ কথা বলেছেন।

 

সোহেল বলেন, ‘সংগঠনের অভ্যন্তরে কিছু সত্য রয়েছে যা অনেকেই জানে, কিন্তু প্রকাশ করে না। এর উদাহরণ যদি দেই, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও সহযোগিতার মামলা করেছে, তা সত্য জেনেও অনেকে প্রকাশ করে না।’

 

‘এমনকি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দাবি করে ধাপাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে তারা।’নুরুল হক নুরদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন কমিটির সদস্যসচিব ইসমাইল সম্রাট।

 

এই ঘটনাটি নিয়ে সংগঠনে অনেক আলোচনা হয়েছে বলেও জানান সোহেল। তিনি বলেন, ‘মামুনকে (ছাত্র অধিকার পরিষদের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক হাসান আল মামুন) চাপ দেয়া হলে সে তো নিজেই মেয়েটিকে বলেছে আদালতে যেতে।’

 

‘তারা (মামুন ও তার সহযোগীরা) ভেবেছিল মেয়েটি একটি মৌলভী পরিবার থেকে এসেছে। সে এটা নিয়ে হৈ চৈ করবে না।’‘ছাত্র অধিকার পরিষদের কাছে মেয়েটা অনেক আগে থেকে বিচার চেয়ে আসছে। তার সব ঘটনা খুলে বলেছে। ন্যায়বিচারের দাবি করেছে। তখন তাকে (বাদী) বারবার আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সমাধান হয়নি।’

 

‘মামুনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল, এটা আমরা সবাই জানতাম। তাকে খাবার এনে খাওয়াত।’এ নিয়ে কথা তোলার পর নুরের মামুন-নুরের সহযোগীদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন সোহেল। বলেন, ‘আমরা যারা সমাধান করতে চেয়েছিলাম, উল্টো আমাদেরকে বলা হয়েছে আমরা ষড়যন্ত্রকারী।’

 

গত ২০ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বিভাগের এক ছাত্রী। এতে নুরসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আনা হয় সহযোগিতার অভিযোগ।