আজ ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

২ থেকে ৩ মাস রেস্টে থাকত হবে রিজভীকে

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তাঁকে আরো ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ রেস্টে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, কিছুক্ষণ আগের খবর হলো রুহুল কবির রিজভীর এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। রিপোর্ট মোটামুটি ভালো। সামান্য ব্লক আছে। তবে সেটা ওষুধে চিকিৎসা হবে। আপাতত একমাস চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো ওষুধ চলবে। একমাস পর আবার এনজিওগ্রাম করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কতদিনের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ বলেন, অন্তত ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ তাকে রেস্টে থাকতে হবে। এ সময়ের মধ্যে তিনি বাইরে কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না।

হাসপাতাল থেকে কবে নাগাদ ছাড়া পাবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে আরও ২/৪ দিন হাসপাতালে থাকার পর সিদ্ধান্ত হবে।

গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দিয়ে নয়াপল্টন বিএনপি অফিসের দিকে যাওয়ার পথে বুকে ব্যথা অনুভব করলে প্রথমে তাকে কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাকে ধানমন্ডি ল্যাব এইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার ল্যাব এইডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সোহরাবুজ্জামান ও প্রফেসর আব্দুস জাহেদ এর নেতৃত্বে এনজিওগ্রাম করা হয়। তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়ে। তবে সেটি তত গভীর নয়।

ডা. জাহিদ বলেন, ড্যাব নেতা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মনোয়ারুল কাদির বিটু ও ডা. রফিকুল ইসলাম এনজিওগ্রাম করার সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে প্রেস ক্লাবে দলীয় প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে দ্রুত ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়।