আজ ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি ভ্যাকসিন নিবন্ধন করল বাংলাদেশ

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবক হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশও যুক্ত হয়ে গেল।

এ পর্যন্ত নানা প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দেশে ২০০টিরও বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চললেও এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় ঢুকেছে ১৩৭টি, যার মধ্যে ৪৬টি মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর্যায়ে রয়েছে, বাকি ৯১টি আছে প্রাণীর শরীরে প্রয়োগের পর্যায়ে। ওই তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের একাধারে তিনটি ভ্যাকসিন ট্রায়ালের উপযোগী বলে সম্মতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

জানা গেছে, তিনটি তিন ধরনের ভ্যাকসিন। এরই মধ্যে গ্লোব বায়োটেকের ব্যানকভিড নামের একটি ভ্যাকসিন প্রাণিদেহে প্রয়োগে সাফল্য পাওয়ার তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। সর্বশেষ ওই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করার জন্য গ্লোব বায়োটেক ও আইসিডিডিআরবির মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তিও হয়েছে।

গতকাল শনিবার গ্লোব বায়োটেকের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. কাকন নাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গত ১৫ অক্টোবর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গ্লোব বায়োটেকের ডি৬১৪জি ভেরিয়েন্ট এমআরএনএ, ডিএনএ প্লাসমিড এবং এডিনোভাইরাস টাইপ৫ ভেক্টর নামের তিনটি ভ্যাকসিনের নাম তালিকায় তুলেছে। এ ক্ষেত্রে জানানো হয়, গ্লোব বায়োটেকই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যারা এককভাবে তিনটি ভ্যাকসিনের নাম তালিকাভুক্ত করতে পেরেছে।

গ্লোব বায়োটেকের প্রধান গবেষক ড. আসিফ মাহমুদ প্রথমবার্তাকে বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে আগেই এ সংক্রান্ত একটি আবেদন জানানো হয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে।’

উল্লেখ্য, প্রথম গত ২ জুলাই নিজেদের উদ্যোগে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কথা জানান দেয় গ্লোব বায়োটেক। তাদের দাবি, মার্চ মাস থেকেই তারা আবিষ্কারের কাজ শুরু করেছিল। গ্লোবের চেয়ারম্যান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানান, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তাঁরা জানুয়ারিতেই করোনার নিরাপদ টিকা উপহার দিতে পারবেন দেশ ও বিশ্বকে।