আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

“ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস্ কমিশন (বাংলাদেশ) শাখার স্পেশাল কোঅর্ডিনেটর রুবাইত হাসানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে উদ্বেগ প্রকাশ

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস্ কমিশন (বাংলাদেশ) শাখার পক্ষে পিস এম্বাসেডর ও ন্যাশনাল কোর্ডিনেটর লায়ন মোহাম্মাদ ইলিয়াাস সিরাজী স্পেশাল কোর্ডিনেটর রুবাইত হাসানের বিরুদ্ধে নওগাঁ পতœীতলা থানায় হোটেল মালিক জনৈক মামুনুর রশিদ কর্তৃক অসত্য অভিযোগের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইলিয়াস সিরাজী বলেন মাত্র ১৭০ টাকা বিলের আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, হাস্যকর ও অনভিপ্রেত! কেননা রুবাইত হাসান একজন বিশিষ্ট মানবাধীকার কর্মী। হাজার টাকা অসহায় মানুষকে দান করেন। মাত্র ১৭০ টাকার জন্য কথা কাটাকাটি হতেই পারেনা। তদুপরি অপপ্রচার, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত, অনভিপ্রেত, অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর! ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের পিস এম্বাসেডর ও ন্যাশনাল ভলেন্টিয়ার কোর্ডিনেটর লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী পত্মীতলা উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। বহির্বিশে^ প্রশংসিত ও সমাদৃত এলাকার এমন একজন কৃতি সন্তান ও সম্মানিত ব্যক্তিকে নিয়ে গর্ববোধ না করে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা কেবল রুবাইত হাসানের মানহানী নয় এটা এলাকারও মানক্ষুন্ন করে মন্তব্য করে মিসেস রুবাইত বলেন, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক ও কাজে আরো যতœবান ও মনযোগী হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। তিনি আরো যোগ করেন অভিযোগে উল্ল্যেখিত সময়ে রুবাইত হাসান অন্য স্থানে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত ছিলেন যার উপযুক্ত সাক্ষী আছে,তাছাড়া একই ব্যক্তি একই সময়ে কখনো দুই জায়গায় অবস্থান করা সম্ভব নয়।অবিলম্বে ষড়যন্ত্র হোতাদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়ে এসময় কঠোরআন্দোলনেরও ইঙ্গিত করেন তিনি।

উলেখ্য যে, গত ২২ অক্টোবর পতœীতলা উপজেলাধীন নজিপুরের মক্কা হোটেল মালিক স্থানীয় সাংবাদিক মাহমুদুন্নবীকে ১ নম্বর আসামী, জাতিসংঘ অধিভুক্ত ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন বাংলাদেশ শাখার বিশেষ সমন্বয়কারী ও বিশ^ শান্তি কমিটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রুবাইত হাসানকে ২ নম্বর আসামী ও হাবিল হোসেন নামে একজনকে ৩ নম্বর আসামী করে হোটেলে খাওয়া-দাওয়ার পর মাত্র ১৭০ টাকা বিল নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ০১৭১০-২৬২১৮১ মোবাইল হইতে তাদের পরিচয়ে চাঁদা দাবী করার অভিযোগ করেন।