আজ ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিক্ষার্থীদের বেতন-ফি পরিশোধে নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ছাত্রছাত্রীদের বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধে অভিভাবকদের কোনও ধরনের চাপ না দেওয়ার জন্য মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

 

তিনি বলেন, বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোনও ছাত্রছাত্রীকে পরীক্ষা থেকে বিরত রাখা যাবে না, প্রমোশন আটকানো যাবে না।সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে অবস্থিত মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব নির্দেশনা প্রদান করেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী।

 

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্যরা, অভিভাবকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাবে আর্থিক সংকটের কারণে যেসব অভিভাবক ছাত্রছাত্রীদের বেতন ও ফিস পরিশোধ অক্ষম তারা ব্যক্তিগতভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বরাবর দরখাস্ত করলে সেটি বিবেচনা করা হবে।

 

অভিভাবকদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনে শতভাগ পর্যন্ত বেতন মওকুফ করা হবে। তবে যেসব অভিভাবক আর্থিকভাবে সচ্ছল তাদের দরখাস্ত করা থেকে বিরত থাকার আহবান জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, যেসব ছাত্রছাত্রীদের বাসায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নেই, তাদের জন্য পর্যায়ক্রমে ল্যাপটপ প্রদানের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগণের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভূমিকা রাখছে।

 

তিনি ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে সমন্বয় ও পারস্পরিক যোগাযোগ রেখে করোনাকালে স্কুল ও কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

 

শিল্প প্রতিমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়, এমন আচরণ ও কাজ থেকে বিরত থাকা এবং কারও প্ররোচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিনষ্ট করা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

 

প্রতিমন্ত্রী মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের যেসব শিক্ষক প্রাইভেট পড়ান বা ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনা ফিতে বাড়তি ক্লাস নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।