আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেয়া হল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: শর্তসাপেক্ষে বিশেষ বিবেচনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস ও পরীক্ষার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

 

যেসব শিক্ষার্থী কেবল মাত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফাইনাল সেমিস্টারে রয়েছেন, শুধু তারাই এ সুযোগ পাবেন। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে এটি কার্যকর করা হবে। এক্ষেত্রে ক্লাস ও পরীক্ষার সময় দু’জন শিক্ষার্থীর মাঝে অন্তত ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

 

মঙ্গলবার ইউজিসির ভার্চুয়াল সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থী ল্যাব ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। একদিনে শুধু একটি মাত্র ক্লাস নেয়া যাবে।

 

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ইউজিসির এক সদস্য জানান, দেশের বন্ধ থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ মুহূর্তে খুলে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু এসব শিক্ষার্থীর কথা বিবেচনায় রেখে আমাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, যে সব শিক্ষার্থী তাদের ফাইনাল সেমিস্টারে রয়েছেন তারা ব্যক্তিগতভাবে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। দেশের বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর জানান, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য যাদের অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত ফল আটকে আছে, তাদের সেই ব্যবহারির ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

 

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়া হলেও ব্যবহারিক পরীক্ষা আটকে ছিল। ফলে অনেকেই চূড়ান্ত ফল পাচ্ছিলেন না।

 

অধ্যাপক আলমগীর বলেন, ১০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর পরীক্ষা একসঙ্গে নেওয়া যাবে না। একটি বিষয়ে একটির বেশি পরীক্ষা একদিনে নেওয়া যাবে না। এছাড়া প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবেন এবং পরীক্ষা শেষ করার আধাঘণ্টা পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া হবে। কমিশনের এ সিদ্ধান্ত শিগগিরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। তবে সেই ছুটি আরও বাড়বে বলে ইতোমধ্যে আভাস পাওয়া গেছে।