আজ ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আমি ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে বিজয়ী হবো : ট্রাম্প

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্তত ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ স্বাক্ষাৎকারে তিনি এই ভবিষ্যদ্বাণী করেন।

ট্রাম্প জানান, তিনি ৩০৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে জয়ী হবেন। ট্রাম্পের এই ভবিষ্যদ্বাণী যদি সত্যি হয়, তাহলে তা হবে গতবারের নির্বাচনে পাওয়া ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের চেয়ে বেশি। দেশটিতে মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। ইলেকটোরাল কলেজ প্রতিনিধিরাই মূলত হোয়াইট হাউসে কে যাবেন সেটি নির্ধারণ করেন।

স্বাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাট মনোনীত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘কমলা হ্যারিস যদি ভাইস প্রেসিডেন্ট হন, তাহলে সেটি মার্কিন জনগণ এবং নারীদের জন্য ভয়ঙ্কর হবে।’

ফক্স নিউজের ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ড অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মোট ৩০৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাবো। ২২৩ থেকে ৩০৬ এটা অনেক বড় সংখ্যা। আমি মনে করি, আমরা এই সংখ্যাও টপকে যাবো। আমি এটা ছাড়িয়ে যাবো। আমি মনে করি, আমরা এটা ছাড়াতে পারবো। আরও ভালো করবো। আমরা যেসব কাজ করেছি; জনগণ সেগুলোর প্রশংসা করছে।’

গত বছরের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট মনোনীত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে ব্যাপক চমক দেখিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ৩০৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ট্রাম্প। যদিও পরবর্তীতে দুজন প্রার্থী তাদের ভোট ট্রাম্পকে দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সেই সংখ্যা ৩০৪ এ দাঁড়ায়। তারপরও ৩০ লাখের বেশি ভোট পেয়েও ট্রাম্পের কাছে হেরে যান হিলারি।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী ফল ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন দেশটির ব্যবসায়ীরা। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যবসায়ীদের অনেকেই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাঁচের জানালাগুলো শক্ত কাঠ দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে স্যাক্স ফিফথ অ্যভিনিউ, নর্ডস্ট্রম ও ওষুধের দোকান সিভিএস। আশঙ্কা করা হচ্ছে দেশটির পুঁজিবাজারেও নির্বাচনের প্রভাব পড়বে। গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে দরপতনের পর গতকাল তা আবার চাঙা হয়।