আজ ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ভিপি নুরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

 

আজ রবিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জগলুল হোসেন নতুন এ দিন ধার্য করেন।এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন  (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় ট্রাইব্যুনাল আগামী ৫ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

 

ফেসবুক লাইভে ‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলে মন্তব্যের অভিযোগে গত ১৪ অক্টোবর ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষার্থী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি নুরুল হক নুর প্রায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মনগড়া, আইন বহিঃর্ভুত, সরকারী এবং রাষ্ট্র বিরোধী অসত্য, অর্থহীন এবং উস্কানীমূলক বক্তব্য কোন কারণ ছাড়াই নিজেকে ভাইরাল করার জন্য প্রায়পি প্রকাশ করে থাকে।

 

গত ১২ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে আসামি নুরুল হক নুর www.facebook.com/ducsuvpnur/video/235342794146777 নামীয় ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও প্রকাশ করে।

 

সেখানে আসামি নূরুল হক নুর বাদিনীকে দুশ্চরিত্রাহীন বলে প্রকাশ করে। যা একটি মেয়ের জন্য খুবই অপমানজনক শব্দ।অভিযোগে আরো বলা হয়, আসামি নুরুল হক নুর উল্লেখিত ভিডিওতে বলেন যে, ‘ছিঃ আমরা ধিক্কার জানাই এতো নাটক যে করছে সে দুঃশ্চরিত্রাহীন, ধর্ষণের নাটক করছে, স্বেচ্ছায় একটি ছেলের সাথে বিছানায় গিয়ে।’

 

যা বাদিনীর জন্য অপমানজনক, মানহানিকর এবং আক্রমনাক্ত মিথ্যা তথ্য বটে।অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, যেহেতু আসামী ছাত্র অধিকার পরিষদ নামীয় একটি সংগঠনের নেতা , তার এহেন উস্কানীমূলক বক্তব্যগুলো আক্রমণাত্মক, বিরক্ত , অপমান, অপদন্ত ও সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিপ্রায়ে প্রকাশ ও  প্রকাশ করে সমাজে বাদিনী ও বাদিনীর পরিবারকে প্রতিবেশীদের সাথে বা সমাজের সাথে শত্রুতা ও ঘৃণা সৃষ্টি করে সমাজে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় এবং বাদিনীর সুনাম নষ্ট করে ও মানহানি করে।

 

যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ (১ )/ক , ২৯(১) ৩১(২) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।এর আগে গত ১১ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করে টাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন।