আজ ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

করোনা ঠেকাতে নতুন বিধি-নিষেধ আইনে পরিণত করা হবে : জনসন

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: করোনার নতুন ধরন ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রিটেনে। তাই মারণভাইরাস করোনাকে ঠেকাতে নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

 

মধ্য ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল এবং কলেজের ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার আহ্বানও জানান বরিস জনসন। বুধবার পার্লামেন্টে এমপিদের অনুমোদন নিয়ে নতুন বিধি-নিষেধ আইনে পরিণত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ইংল্যান্ডে তৃতীয়বারের মতো আরেক দফা কঠোর করোনা বিধি-নিষেধ আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। দেশটির স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৮টায় টেলিভিশনে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে ইংল্যান্ডে টিয়ার ফাইভ করোনা বিধি-নিষেধ আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। মঙ্গলবার প্রথম প্রহর থেকে তা কার্যকর হবে।

 

মার্চের প্রথম লকডাউনের মতো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারবেন না। শুধু অত্যাবশ্যকীয় মেডিক্যালের প্রয়োজনে, খাদ্যদ্রব্য কেনা, ব্যায়াম এবং যাদের বাড়ি থেকে কাজ করার সুবিধা নেই তারাই একমাত্র ঘর থেকে বের হতে পারবেন।

 

ফেব্রুয়ারির হাফটার্ম ছুটি পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সব স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে। শুধু নার্সারি খোলা থাকবে। সামারে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরতে পারবেন না, অনলাইনে ক্লাস নিতে হবে।

 

রেস্টুরেন্টে ফুড ডেলিভারি অব্যাহত থাকবে, তবে মদ টেইকওয়ে বন্ধ থাকবে। আউট ডোর স্পোর্টস ভেন্যু, বিশেষ করে গল্ফ, টেনিস, আউটসাইড জিম বন্ধ থাকবে। ফেব্রুয়ারিতে স্কুল বন্ধ থাকা পর্যন্ত ফ্রি স্কুল মিল বহাল থাকবে বলেও ভাষণে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

 

এর আগে স্কটল্যান্ডে জাতীয় লকডাউনের ঘোষণা দেন স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টোরজান। আর ওয়েলসে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

২০ ডিসেম্বর থেকে ওয়েলসে লকডাউন চলছে। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় লকডাউন চলেছে।এদিকে সোমবার গত চব্বিশ ঘণ্টায় ব্রিটেনে নতুন করে আরো ৫৮ হাজার ৭৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে আরো ৪০৭ জনের।