1. [email protected] : bijoy : bijoy Book
  2. [email protected] : News Room : News Room
  3. [email protected] : news uploader : news uploader
  4. [email protected] : prothombarta :
করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:৫১ রাত

করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব

  • পোষ্ট হয়েছে : সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: সীমিত আয়ের জনগণকে স্বস্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা দুই লাখ টাকা বাড়িয়ে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ইকোনমিক রিপোরটার্স ফোরাম (ইআরএফ)। একই সঙ্গে রাজস্ব ফাঁকি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তাব রাখেন।

রবিবার আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত জাতীয় রাজস্ব ভবনে (এনবিআর) প্রাক বাজেট আলোচনায় সংগঠনের নেতারা এসব প্রস্তাব দেন। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে সভায় ছিলেন ইআরএফের সভাপতি মো. রেফায়েত উল্লাহ মীরধা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম প্রমুখ।

বাজেটটা আমার জন্য করা হয়, এটা বোঝার মতো জ্ঞান সাধারন মানুষের নেই মন্তব্যে করে আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, বাজেটের মূল উদ্দেশ্যই থাকে নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেনীকে মধ্যবিত্তে উন্নীত করা। মধ্যবিত্ত শ্রেনীকে উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেনীতে নিয়ে যাওয়া। মানুষের অবস্থার উন্নতি ও মাথাপিছু আয় বাড়ানো।

আলোচনায় ইআরএফ নেতারা বলেন, একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ৪১ হাজার ৬৬৬ টাকা বা তার বেশি হলে তাকে করের আওতায় আনা হবে। অন্যদিকে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট একজন ব্যক্তির মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকার বেশি হলেই তিনি করের আওতায় ছিলেন।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ করতে আগামী বাজেটে কর-জিডিপির অনুপাত দশমিক ৫ শতাংশ বাড়াতে হবে। ধারাবাহিকভাবে পরের দুই বছরে দশমিক ৫ শতাংশ ও দশমিক ৭ শতাংশ হারে বাড়াতে হবে। বাড়তি এই রাজস্ব আহরণে করের হার না বাড়িয়ে আওতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তাব তাদের। পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করা সহ আগাম কর রিফান্ড ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রস্তাব দেন।

দেশে ইটিআইএনধারীর সংখ্যা ৮৬ লাখের মতো জানিয়ে আরও বলেন, এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন ২৮ লাখ। বাকি ইটিআইএনধারীদের রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার ওপরে জোর দেন। একই সঙ্গে কর, শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকি রোধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব দেন ইআরএফ।

বাজেট আলোচনায় ইআরএফের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক লিখিত আকারে একগুচ্ছ প্রস্তাব রাখেন। প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হলো- ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ধাক্কা সামলাতে এখন থেকেই গতিশীল রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে। ডাব্লিউটিও বাউন্ড ট্যারিফ কার্যকর করার পদক্ষেপ আগামী অর্থবছর থেকেই পর্যায়ক্রমে আগামী তিন অর্থবছর ধরে প্রস্তুতি নিতে হবে, যার কার্যক্রম আগামী অর্থবছর থেকে শুরু করা দরকার;

এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার জন্য দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতেও পদক্ষেপ নিতে হবে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মুক্ত বানিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিষয়টি বিবেবচনায় রেখে শুল্কহার যৌক্তিক করার কাজ আগামী বাজেট থেকেই শুরু করার প্রস্তাব করছি। বাংলাদেশে শুল্কহার এলডিসিগুলোর গড় শুল্কহারের তুলনায় বেশি এবং প্রোটেকটিভ ট্যারিফ গড়ে ২৮ শতাংশ। এই হার কমিয়ে আনার প্রস্তাব করছি, যাতে এফটিএ করার পর রাজস্বের ধাক্কা একবারে না আসে;

আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সরকার আগামী জুনের মধ্যে খসড়া কাস্টমস অ্যাক্ট ও খসড়া আয়কর আইন আগামী জুনের মধ্যে বিল আকারে পাস করে আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে। আইএমএফের চাপে তাড়াহুড়া করে আইন দুটি প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে গিয়ে যেন সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি করের চাপ দেওয়া না হয় এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে;

Facebook Comments Box

শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন

print sharing button
এ বিভাগের অন্যান্য খবর