আজ ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং

প্রবাসীর স্ত্রীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ …..

প্রথমবার্তা,নিজস্ব প্রতিবেদক:  কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের দৃশ্যের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মোঃ মামুন উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের নারচর গ্রামের মকবুল আহাম্মদের ছেলে।

 

 

 

 

মামুনসহ তিনজনকে আসামি করে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছে ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী। অপর দুই আসামি হচ্ছে, মামুনের পিতা মকবুল আহাম্মদ ও সহযোগী একই ইউনিয়নের বারৈয়া গ্রামের রুবেল। বৃহস্পতিবার মামলার বিষয়টি জানাজানি হয়।

 

 

 

 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী সৌদি আরব থাকেন। তিনি জমজ সন্তাসহ পিতার বাড়ি নারচর গ্রামে বসবাস করেন। আসামিরা প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তাদের ঘরে নিয়মিত যাতায়াত করতো।

 

 

 

দেড় বছর আগে প্রবাসীর স্ত্রী বাথরুমে গোসল করা অবস্থায় গোপনে অভিযুক্ত মামুন মোবাইল ফোন দ্বারা তাঁর গোসলের ভিডিও ধারণ করে।

 

 

 

মামুন প্রতিনিয়ত ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করে। গত ৩১ জানুয়ারি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মামুন প্রবাসীর স্ত্রীকে ভয় দেখিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা নিয়ে কাশিনগর বাজারে যেতে বলে।

 

 

 

প্রবাসীর স্ত্রী তার পরিধেয় আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে কাশিনগর বাজারে যায়। সেখানে মামুন তার সহযোগী রুবেলের সহায়তায় স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুটে অপহরণ করে চট্টগ্রাম নিয়ে যায়।

 

 

 

এরপর প্রবাসীর স্ত্রীকে রুবেলের নানার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ২ ফেব্রুয়ারি প্রবাসীর স্ত্রীকে ঢাকায় একটি ব্যাচেলার বাসায় নিয়েও ধর্ষণ করে। ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রবাসীর স্ত্রী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে বাসযোগে পিতার বাড়িতে চলে আসে।

 

 

 

 

ঘটনাটি পরিবারের লোকজনকে অবহিত করলে তারা মামুনের বাবাকে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দিতে থাকেন। এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা আদালতে অভিযুক্ত মামুন, তার পিতা মকবুল আহাম্মদ ও সহযোগী রুবেলকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে বাদীর আইনজীবী এডভোকেট সোনিয়া জানান, ‘আদালতের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে।’

এই পোস্টটি আমাদের সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন