আজ ১৮ই আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা জুলাই, ২০২০ ইং

কী করব জানি না ভয়াবহ পরিস্থিতি

সিদ্দিকুর রহমান: করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে-বিদেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে মনে করেন পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পোশাক পণ্যের বিদেশি ক্রেতারা একের পর এক রপ্তানি অর্ডার বাতিল করছেন।

 

 

 

কম-বেশি সব ক্রেতাই এটা করছেন। শিপমেন্ট করতেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কী করব জানি না। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে পুরো বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

 

 

 

এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সঙ্গে বসে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। এফবিসিসিআইর এই সহসভাপতি বলেন, করোনাভাইরাসের সংকটকালীন ঋণপত্র বা এলসি স্থগিত রাখতে হবে। ব্যাংকগুলো যাতে কোনো চাপ না দেয়, সরকারের সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনো প্রকার চাপ দেওয়া যাবে না।

 

 

 

 

এর সঙ্গে শ্রমিকদের বেতন প্রদানে সরকারের সহায়তা লাগবে। তিনি বলেন, আমাদের ভয় হচ্ছে ইউরোপ নিয়ে। সেখানে যদি করোনা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে পোশাকের চাহিদা অনেক কমে যাবে। মানুষ যদি ঘর থেকে বের না হতে পারে তাহলে পোশাক কিনবে কীভাবে? সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনের মোট বাণিজ্য প্রায় ১৪ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারের।

 

 

 

 

পোশাক খাতে বিশেষ করে ওভেন খাতের কাঁচামালের ৬০ শতাংশ আসে চীন থেকে। অন্যদিকে নিট খাতে আসে প্রায় ২০ শতাংশ কাঁচামাল। এ ছাড়া অন্য অনেক শিল্পে কাঁচামালের প্রধান উৎস চীন।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। পোশাক খাত, প্লাস্টিক, চামড়া, ইলেকট্রনিক, মেডিকেল সামগ্রী, কম্পিউটার, যোগাযোগসহ সব খাতে স্বাভাবিক সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই পোস্টটি আমাদের সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন