আজ ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভুলেও যে কাজগুলো করতে নেই সূর্যগ্রহণের এই সময়ে!

প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   শুরু হয়েছে সূর্যগ্রহণ। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ১১টা ২৩ মিনিটে সূর্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। দুপুর ১টা ১২ মিনিটে সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ও দুপুর ২ টা ৫২ মিনিটে গ্রহণ শেষ হবে।

 

তবে পূর্ণ নয়, একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ইংরেজিতে এই গ্রহণ পরিচিত annular solar eclipse নামে।ভারতের আকাশেও দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ৷

 

এদিন সূর্যকে ঢেকে দেবে চাঁদ এবং বার্ষিক এই গ্রহণে পুরো অন্ধকার হয়ে যাবে না৷ তবে তৈরি হবে আগুনের আংটি! ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখা যাবে এই গ্রহণ।

 

প্রতিবেশী দেশ ভারতের আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে, গ্রহণ চলাকালীন খাবার খাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। এই সময় জলে তুলসী ও দুর্বা ঘাস দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এতে জল পরিশুদ্ধ হয়ে যায় বলে অনেকের বিশ্বাস।

 

এ ছাড়া গ্রহণের সময় অন্ন গ্রহণ করলে তা অশুভ হয় বলে বিশ্বাস করেন অনেকে। কিছু মানুষ মনে করেন, গর্ভবতী মহিলার জন্য সূর্যগ্রহণ অত্যন্ত বিপদজনক।

 

তাই সে সব মহিলাদের গ্রহণ চলাকালীন ঘরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো না।গ্রহণের সময় রান্না না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। যে মানুষ অসুস্থ, ক্লান্ত অথবা বৃদ্ধ – তাদের ক্ষেত্রে একান্তই সম্ভব না হলে জল, ডাবের জল অথবা এই ধরনের কোনও ফ্লুইড দেওয়া যেতে পারে।

 

তবে ভারী খাবার না দিতেই বলা হয়।তবে, খালি চোখে কখনই সূর্যগ্রহণ দেখা উচিত নয়। এতে চোখে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দূরবীন, ক্যামেরার লেন্স, টেলিস্কোপ দিয়েই সূর্যগ্রহণ দেখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

 

গ্রহণের সময় শাড়িতে পিন বা সাধারণ ভাবে সেফটিপিন, কোনও গয়না পরতে বারণ করা হয়। এতে নাকি বিপদ হতে পারে। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায় নি।গ্রহণের সময় তুলসী গাছ স্পর্শ করবেন না।

 

গ্রহণ চলাকালীন চুল দাড়ি কাটবেন না। গ্রহণের সময় ক্ষতিকারক রশ্মি বিকিরণ হয় তাই বাইরে না বেড়নোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সূতক কাল এবং গ্রহণের সময় অশুভ শক্তির ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তাই এ সময় নির্জন স্থান বা শ্মশানে যাওয়া উচিত নয়। গ্রহণ শেষ হলে স্নান করে শুদ্ধবস্ত্র পড়ে দান করা উচিত।

এই পোস্টটি আমাদের সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন